রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়নির্ধারিত সময়ে বিচার শেষ না করায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারকের ব্যাখ্যা তলব

নির্ধারিত সময়ে বিচার শেষ না করায় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারকের ব্যাখ্যা তলব

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে একটি হত্যা মামলার বিচার কার্যক্রম সম্পন্ন না করায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগমের ব্যাখ্যা তলব করেছেন হাইকোর্ট। সোমবার এক আসামির জামিন আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি জে ডি এম হাসানের ডিভিশন বেঞ্চ এই ব্যাখ্যা তলব আদেশ দেন। আগামী ১৪ আগস্টের মধ্যে ঢাকার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক মমতাজ বেগমকে লিখিতভাবে আদালতে এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দাখিল করার জন্য হাইকোর্টের আদেশে বলা হয়। আদালত সূত্র জানায়, দ্রুত বিচার আইন অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের বিচারাধীন মামলা ১৩৫ কার্যদিবেরস মধ্যে সম্পন্ন করার কথা। কিন্তু এই সময়ের পরও ছয় বছর ধরে মামলাটি কেন ঐ আদালতে পড়ে রয়েছে এজন্য তাকে ব্যাখ্যা দিতে হবে।

১৯৯০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা ময়মনসিংহ মহাসড়কের পূবালী সিনেমা হলের ফ্রিডম পার্টির অফিসের নিকট ছেচু মিয়ার চায়ের দোকানের সামনে গুলিতে নিহত হন হারুনুর রশিদ নামে কাঁচামালের আড়তদার। এই ঘটনায় পরদিন ময়মনসিংহের কোতয়ালি থানায় মামলা করেন নিহতের ভগ্নিপতি মোশারফ হোসেন বাবুল। পরে মামলাটি ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এ হস্তান্তর করা হয় এবং ২০১০ সালে ১০ জুলাই এই মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। ৭৮ জন সাক্ষীর মধ্যে গত ছয় বছরে ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষগ্রহণ করে আদালত।

এই মামলার আসামি মোহম্মদ আবদুর রশিদ ট্রাইব্যুনালে জামিন আবেদন করেন। কিন্তু ট্রাইব্যুনাল তার আবেদন খারিজ করে দেয়। এরপর তিনি হাইকোর্টে জামিন চেয়ে আবেদন করেন। তার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী খন্দকার আহসান হাবীব। শুনানির এক পর্যায়ে আদালত দীর্ঘদিন মামলার নিষ্পত্তি না হওয়ার বিষয়টি চোখে পড়ে।

এ বিষয়ে রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য জানতে চাইলে ডেপুটি অ্যাটর্নি জোনারেল মনিরুজ্জামান কবির বলেন, যেহেতু মামলাটি দীর্ঘদিন ফেলে রাখা হয়েছে সেহেতু বিচারককে তলব করা দরকার। একই সঙ্গে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য বলা হোক। এরপরই আদালত লিখিত ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ