শনিবার, অক্টোবর ২৪, ২০২৬
প্রচ্ছদআরো খবর......সাংবাদিক মারধরের পর এমপি রনির দুঃখ প্রকাশ

সাংবাদিক মারধরের পর এমপি রনির দুঃখ প্রকাশ

বেসরকারি টেলিভিশন ইন্ডিপেন্ডেন্ট’র  দুই সাংবাদিককে মারধরের পর দুঃখ প্রকাশ করেছেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য গোলাম মওলা রনি।
শনিবার বিকেল রাজধানীর তোপখানা রোডের মেহেরবা প্লাজায় সাংসদ গোলাম মওলা রনির অফিসে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলোচনার পরে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন এবং চিকিৎসার ব্যয়-ভার বহন ও ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।
রনি বলেন,  আজ দুপুরে আমার অফিসের সামনে ভুল বোঝাবুঝি থেকে একটি এটি  ঘটেছে। তবে সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে আলাপ শেষে বিষয়টি মীমাংসা হয়েছে।
ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে রনি বলেন, গত ৭/৮ দিন যাবত  ইন্ডিপেন্ডেন্টের তালাশ টিম আমার এলাকায় গিয়ে দুর্নীতি অনুসন্ধান করেছে এবং আমার নির্বাচনী এলাকা পটুয়াখালীতে আমার আত্মীয়দের কাছে বিভিন্ন প্রশ্ন করে হয়রানি করেছে বলে জানতে পারি। আমার সন্দেহ হলো শেয়ারবাজার কেলেঙ্কারীর সঙ্গে জড়িত সালমান এফ রহমানের নাম প্রকাশ করে কথা বলায় এবং ফেসবুকে লেখার কারণে দরবেশ বাবার (সালমান এফ রহমান) নির্দেশে তালাশ টিম আমার পেছনে লেগেছে। গত ৪ দিন যাবৎ ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের তালাশ টিম আমাকে ২৪ ঘণ্টা ফলো করছিল।
তিনি বলেন, আমার অফিস স্টাফ আব্দুল কুদ্দুসের কাছে তালাশ টিম জানায়, তারা আমার নির্বাচনী এলাকায় অনেক অনিয়ম এবং আমার ড্রাইভার নজরুল ন্যাম ভবনে থাকে তার খোঁজও পেয়েছে। যদি আমাদের সঙ্গে ৫ লাখ টাকায় সমঝোতায় না আসে তাহলে আমরা সব কিছু ফাঁস করে দেবো। অফিস ফ্রন্ট ডেস্ক স্টাফ আবু বক্করের কাছে টাকা দাবি করে। কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে আমার গায়ে হাত তুললে বিল্ডিংয়ের লোক জড়ো হয়। পরে তারা সালমান এফ রহমানের চ্যানেলের নাম শুনে ক্যামেরাম্যানকে মারধর করে। তবে কারা মেরেছে তিনি তা জানেন না এবং এ ঘটনার দায়ভারও নেবেন না বলে জানান তিনি।
এ বিষয়ে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক বলেন,  ভুল বোঝাবুঝির কারণে যে ঘটনা ঘটেছে তার জন্য গোলাম মওলা রনি দুঃখ প্রকাশ করেছেন এবং ক্ষতিপূরণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তার দুঃখ প্রকাশে আমরা সন্তুষ্ট হয়ে মীমাংসায় এসেছি।
এ সময় সাংবাদিক নেতাদের মধ্যে ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ওমর ফারুক, সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ, ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির(ডিআরইউ) সভাপতি শাহেদ চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, শনিবার দুপুরে তথ্য সংগ্রহ করতে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের সাংবাদিক ইমতিয়াজ মোমিন সনি ও ক্যামেরাম্যান বকুল গোলাম মওলা রনির অফিসে গেলে তাদের আটকে রেখে মারধর এবং ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ভাংচুর করা হয়।
আরও পড়ুন

সর্বশেষ