চট্টগ্রাম কলেজকে সশস্ত্র শিবির ক্যাডারমুক্ত করাসহ আট দফা দাবিতে কলেজের প্রশাসনিক ভবনের সামনে অবস্থান নিয়েছে ছাত্রলীগ। শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে শতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে কলেজে অবস্থান নেয় নগর ছাত্রলীগ। এদিকে শীতকালীন ছুটি শেষে ২ জানুয়ারি থেকে কলেজ খুললেও কোন ক্লাস অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। সার্বিক পরিস্থিতি মোকাবিলায় কলেজ ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া কলেজের মূল ফটক ছাড়া অন্যান্য ফটকগুলো বন্ধ রাখা হয়েছে। ছাত্রলীগের এ অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত রয়েছেন নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি। এছাড়া নগর ছাত্রলীগের অন্যান্য নেতাকর্মীরাও উপস্থিত আছেন।
চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাসে রক্ত ঢেলে আট দফা দাবি আদায়ের চেষ্টা করছে ছাত্রলীগ। দুপুর একটার দিকে কলেজের অধ্যক্ষ কার্যালয়ের প্রবেশপথে রক্ত ঢেলে কলেজ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে ছাত্রলীগ। সংগঠনের প্রায় ২৯জন নেতাকর্মীর রক্ত সংগ্রহ করে এ কর্মসূচি পালন করে ছাত্রলীগ।
এর আগে ৩১ ডিসেম্বর চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে আট দফা দাবির কথা জানায় নগর ছাত্রলীগ। ওইসময় দাবি মেনে না নিলে চট্টগ্রাম কলেজ ও সরকারি হাজী মুহাম্মদ মহসিন কলেজ খুলতে দেবে না বলে জানিয়েছিল ছাত্রলীগ নেতারা। ছাত্রলীগের আট দফা দাবির মধ্যে আছে, কলেজ ক্যাম্পাসে স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, মূল ফটক ছাড়া বাকি ১৬টি প্রবেশপথ বন্ধ করে দেওয়া, ক্যাম্পাসের ভেতরে সব ধরনের আবাসিক স্থাপনা বন্ধ করে দেওয়া, শিবির ক্যাডারদের পৃষ্ঠপোষক হোস্টেল সুপার-মসজিদের ইমাম ও খতিবকে অপসারণ করা, অস্থায়ী ও খণ্ডকালীন কর্মচারীদের অপসারণ ও দোকান বন্ধ করে দেওয়া, তিন দশক ধরে ছাত্র সংসদের নামে আদায় করা অর্থের হিসাব সাধারণ শিক্ষার্থীদের সামনে উপস্থাপন, ছাত্রাবাস ও ছাত্রী নিবাসের নামে মিনি ক্যান্টনমেন্টগুলো বন্ধ করে দেওয়া এবং নাশকতা মামলার আসামি ছাত্রদের গ্রেফতার ও ছাত্রত্ব বাতিল।




