মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনসরকার দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করতে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা কাজ শুরু করেছে

সরকার দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করতে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা কাজ শুরু করেছে

কেন্দ্র দখল করে জাল ভোটের মাধ্যমে সরকার দলীয় প্রার্থীকে জয়ী করতে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা কাজ শুরু করেছে বলে অভিযোগ করেছে বিএনপি। অন্যদিকে প্রশাসনের সহায়তায় ভোটার ও বিএনপি সমর্থিত মেয়র প্রার্থী মনজুর আলমের এজেন্টদের ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করা হয়।  এসব বিষয়ে প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে অভিযোগ দেওয়া হলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়। সোমবার বেলা ১২টায় নগরীর মেহেদীবাগে মনজুর আলমের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বাসায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন,‘আগামীকাল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী আইন অনুযায়ী দুইদিন আগে থেকে বহিরাগতরা নগর ছাড়ার কথা। কিন্তু তা না হয়ে উল্টো নগরীতে হাজার হাজার বহিরাগত প্রবেশ করেছে।  আরো কয়েক হাজার চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সরকার দলীয় মন্ত্রী, উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা নগরীর বিভিন্ন হোটেল, সরকারি-বেসরকারি রেস্ট হাউসে অবস্থান নিয়ে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে যাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন,‘এরইমধ্যে কয়েক হাজার বহিরাগত সন্ত্রাসী বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে চলাফেরা শুরু করেছে। নির্বাচন তাদের বিরুদ্ধে কোন ধরণের ব্যবস্থা না নেওয়ায় এবং প্রশাসনের সহযোগিতায় চট্টগ্রাম শহর এখন সন্ত্রাসীদের মিলন মেলায় পরিণত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন আমীর খসরু। তিনি বলেন,‘এ ধরণের পরিস্থিতি হবে সেটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। ’

নির্বাচনের নামে সরকার তামাশা করার প্রচেষ্টা করছে অভিযোগ করেছেন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত মনজুর আলমের নির্বাচনী পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক আবদুল্লাহ আল নোমান। তিনি বলেন,‘সুষ্ঠু ভোট হলে মনজুর আলম ৮৫ শতাংশ ভোট পাবে। তা জেনে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে এসে জাল ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা করছে।’ তিনি বলেন,‘নির্বাচন কমিশন লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড(সবার জন্য সমান সুযোগ) তৈরি করতে পারেনি। এরপরও কিছুটা উঁচু-নিচু থাকলে তা জনগণকে নিয়ে মোকাবেলা করা যায়।  কিন্তু নির্বাচন কমিশন, র‌্যাব ও পুলিশ প্রশাসন সাথে থাকলে আমরা কিভাবে মোকাবেলা করবো। কারণ আমরা তো নিরস্ত্র। ’

বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীর জন্য ভয়ঙ্কর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে নোমান বলেন,‘সরকার দলীয় প্রার্থীর লোকজন আচরণ বিধি মানছে না। তারা অস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছে। মনজুর নির্বাচনী ক্যাম্প ভেঙে দিচ্ছে। সন্ত্রাসীরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে হুমকি ধমকি দিচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন,‘প্রশাসন সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। তবে এসব পরিস্থিতির মধ্যেও শেষ পর্যন্ত নির্বাচন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বন্দর থানা বিএনপির সভাপতি এম এ আজিজ, কাউন্সিলর নিয়াজ মোহাম্মদ খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

  • বিষয়:
  • top
আরও পড়ুন

সর্বশেষ