বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া চাইছেন তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর নামাজে জানাযা হোক জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে। আর জাতীয় মসজিদের খতিব নিজেই তার জানাযা পড়াবেন। পরিবারের সদস্যদের সকলেরই ইচ্ছাও তাই। যদিও দলের পক্ষে থেকে রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে জানাযা হবে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে। পারিবারিক সদস্যরা চাইছেন, আরাফাত রহমান কোকোর সঙ্গে বিএনপি’র কোনও সম্পর্ক নেই, সে কারণে মৃত্যুর পরেও তাকে দলের সম্পৃক্ততার বাইরে রাখা হোক।
পারিবারিক একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, খালেদা জিয়া ছোট ছেলের জানাযা ও দাফনের স্থান নিয়ে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেই আলোচনা করেছেন। আর নিজের ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছেন। তবে কোনো কারণে বায়তুল মোকাররমে জানাযা সম্ভব না হলে গুলশান আযাদ মসজিদকে দ্বিতীয় পছন্দ হিসেবে জানিয়েছেন খালেদা জিয়া। পারিবারিক সূত্রটি জানায় মঙ্গলবার আরাফাত রহমান কোকোর মরদেহ ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তা নেওয়া হবে খালেদা জিয়ার গুলশান কার্যালয়ে। অবরোধ ডেকে গত ২০ দিন ধরেই এখানে অবস্থান করছেন তিনি। গুলশান কার্যালয় থেকে জানাযার জন্য নেওয়া হবে মরদেহ। বাদ আসর এই জানাযা হবে বলেই নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়া আরাফাত রহমান কোকোর দাফনের জন্য বনানীর সামরিক কবরস্থানের বিষয়টিও চূড়ান্ত রয়েছে



