বিএনপি-জামায়াতের নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের চলমান অবরোধ এবং ব্যাপক সহিংসতার মধ্যে গত শুক্রবার রংপুরের মিঠাপুকুরে র্যাব মহাপরিচালক ও পুলিশের আইজি’র বক্তব্য রাজনীতিতে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয়। এরপর শনিবার বিকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যেসব কর্মচারীর ‘রাজনৈতিক খায়েশ’ আছে তাদের ‘উর্দি খুলে’ রাজনীতির মাঠে নামার আহ্বান জানিয়ে বিবৃতি দেয় ২০-দলীয় জোট। সংবাদ সম্মেলনে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, দেশে এখন ক্রান্তিকাল চলছে। নিরীহ, নিষ্পাপ মানুষকে পুড়িয়ে মারা হচ্ছে। রাষ্ট্রের সম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে। সাধারণ মানুষ এ অবস্থা থেকে মুক্তি চায়।
তিনি বলেন, একটি গোষ্ঠী জনগণের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করে তাদের স্তব্দ করতে চায়। এ অপশক্তির হাত থেকে চিরস্থায়ী মুক্তির জন্য আমরা কাজ করছি। এ অবস্থায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। খুনী, হত্যাকারীর হাত থেকে মানুষ মুক্তি চায়। তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে আমরা সচেতন আছি।
বেনজির বলেন, চট্টগ্রাম বন্দরের সঙ্গে ঢাকার রোড নেটওয়ার্কটা যাতে নিরাপদ থাকে, সাধারণ মানুষ যাতে চলাচল করতে পারে, পণ্য পরিবহনে যাতে কোন সমস্যা না হয়, আমরা সেই চেষ্টা করছি। প্রতিদিন হাজার হাজার গাড়িকে নিরাপত্তা দিয়ে ঢাকায় পৌছানো হচ্ছে। এ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। সংবাদ সম্মেলনে র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) কর্ণেল জিয়াউল আহসান, সিএমপি কমিশনার মোহা.আব্দুল জলিল মন্ডল, র্যাবের চট্টগ্রাম জোনের পরিচালক লে.কর্ণেল মিফতাহ উদ্দিন আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে র্যাব মহাপরিচালক পুলিশ ও চট্টগ্রামের জনপ্রশাসনের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি নাশকতা ও সহিংসতা প্রতিরোধে তাদের বিভিন্ন পরামর্শ দেন।




