খালেদা জিয়া ও তার বড় ছেলে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ ৬ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির রয়েছেন মামলার প্রথম সাক্ষী ও বাদী দুদকের উপ-পরিচালক হারুন-অর-রশিদ। এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর ও ১ ডিসেম্বর সাক্ষ্য দেন তিনি। খালেদার বিরুদ্ধে দায়ের করা অপর মামলা জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলারও তিনি বাদী ও প্রথম সাক্ষী। একই আদালতে বিচার চলছে এ মামলারও। আদালতে হাজির হননি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। তার পক্ষে সময়ের আবেদনে তার আইনজীবীরা দাবি করেছেন, এ আদালতের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে আদালত পরিবর্তনের জন্য উচ্চ আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে, যা শুনানির জন্য অপেক্ষমান। ওই আবেদনের নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন জানাচ্ছি।
গত ২২ সেপ্টেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলার প্রথম সাক্ষী বাদী হারুন অর রশিদের সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়। তারপর থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে খালেদার তিনটি লিভ টু আপিল বিচারাধীন থাকা বা হরতালের কারণ দেখিয়ে আবেদন জানিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণ কয়েকবার পিছিয়ে নেন খালেদার আইনজীবীরা। খালেদার সব আপিল ও লিভ টু আপিল সর্বোচ্চ আদালতে খারিজ হয়ে গেছে। তবে গত ১ ডিসেম্বরও তিন দফায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছানোর আবেদন জানান তারা। তারা বারবার হট্টগোল করতে থাকলে রাষ্ট্র ও দুদকের আইনজীবীদের সঙ্গে বাক-বিতণ্ডার ঘটনাও ঘটে। পরে শুনানি শেষে আদালত এসব আবেদন নামঞ্জুর করলে সাক্ষ্যগ্রহণ ফের শুরু হয়। ওইদিন বিকেলে বাদীর আংশিক সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে অসমাপ্ত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য সোমবার দিন ধার্য করেন বিচারক।




