নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আনিসুল ইসলাম বলেন, দেওয়ান হাট ও টাইগার পাস এলাকায় রেলের জায়গায় নির্মিত সবগুলো অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। কিছু স্থানে দোকানের মালামাল ও অন্যান্য সামগ্রী রেখে জায়গা দখল করা হয়েছে। এসব মালামাল সরিয়ে ফেলার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি।
রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের পক্ষে অভিযানে নেতৃত্ব দেওয়া বিভাগীয় ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা জসিম উদ্দিন জানান, রেলওয়ে পুলিশ সুপার কার্যালয় থেকে পলোগ্রাউন্ড মাঠের পূর্ব প্রবেশমুখ পর্যন্ত অভিযান চালানো হয়েছে। অবৈধ দখলে থাকা এসব জমির পরিমাণ প্রায় তিন একর। পরবর্তীতে উচ্ছেদকৃত জায়গায় দখল ঠেকাতে কোন প্রস্তুতি রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, রেললাইনের রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব প্রকৌশল দপ্তরের। তাদেরকে আমাদের পক্ষ থেকে রেললাইনের দু’পাশে নিরাপত্তা বেস্টনি দিয়ে ঘেরাও করা এবং গাছ লাগানোর কথা বলা হয়েছে। তারা আজ (মঙ্গলবার) বিকাল থেকেই সে লক্ষ্যে কাজ শুরু করবেন।
রেলের বেদখলে থাকা বাকি জমিগুলোতেও ক্রমান্বয়ে অভিযান চালানো হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা। অভিযানে অংশ নেওয়া বিভাগীয় উপ ভূ-সম্পত্তি কর্মকর্তা মো. মহিউদ্দিন জানান, উচ্ছেদের জন্য কয়েকদিন আগে থেকেই এ এলাকায় মাইকিং করা হয়েছে। ফলে, অনেকেই সোমবার রাতে নিজেদের মালামাল ও স্থাপনা সরিয়ে নিয়েছেন। যার কারণে উচ্ছেদে চালাতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। উচ্ছেদ অভিযানে চট্টগ্রাম মেট্টোপলিটন পুলিশের ৮৪ জন সদস্য, রেলওয়ে থানার (জিআরপি) ২৫ জন এবং রেলওয়ে নিরাপত্তা বাহিনীর (আরএনবি) ১০ জন সদস্য অংশ নেয়।




