রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়ব্যাংক-ডাকাতি: ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা উদ্ধার

ব্যাংক-ডাকাতি: ১৬ কোটি ১৯ লাখ টাকা উদ্ধার

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

কিশোরগঞ্জের সোনালী ব্যাংকের প্রধান শাখায় সুড়ঙ্গ খুঁড়ে ভল্ট ভেঙে ১৬ কোটি ১৯ লাখ ৫৬ হাজার ৬০০ টাকা উদ্ধারে সক্ষম হয়েছে র‌্যাব। তবে ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখার দাবি, চুরি টাকার পরিমাণ ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে র‌্যাবের এডিজি কর্নেল জিয়াউল আহসান উদ্ধারকৃত টাকাগুলো গণনা শেষে তিনি এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তার দুজনের মধ্যে সোহেল ওরফে হাবিব এই চুরির হোতা বলে র‌্যাবের দাবি। অন্যজনের নাম মোতাহার, তিনি সোহেলের মামাশ্বশুর।

গত রোববার কিশোরগঞ্জ শহরের রথখোলা এলাকায় সোনালী ব্যাংকের শাখায় ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা চুরির ঘটনা ধরা পড়ে। আগের দুদিনের ছুটির মধ্যে সুড়ঙ্গ কেটে ভল্টে ঢুকে এই অর্থ হাতিয়ে নেয় চোরের দল।

ব্যাংকের ওই শাখার জ্যেষ্ঠ হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা মোহসিনুল হক জানান, বিকাল ৩টার দিকে টাকার প্রয়োজনে ব্যাংকের ভল্টে ঢুকে মেঝেতে সুড়ঙ্গ দেখতে পান তিনি।

পুলিশ এসে ঘটনা তদন্ত করে ১৫ ফুট দূরে পাশের বাড়ির একটি পরিত্যক্ত কক্ষের ভেতর সুড়ঙ্গের অন্য প্রান্তের সন্ধান পায়।

র‌্যাব মুখপাত্র হাবিব বলেন, সোহেল প্রায় দুই বছর ধরে সোনালী ব্যাংকের পাশের বাড়িটিতে ভাড়া থাকত। এর আগে বিকেল ৪টার দিকে শ্যামপুরের কদমতলী এলাকার একটি বাসা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সোহেলকে। এসময় তার সঙ্গে থাকা ইদ্রিস মিয়া নামের এক ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। র‌্যাব জানায়,  হাবিবুর রশিদ নাম গোপন করে সোহেল নামে বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন।

তাদের কাছ থেকে ৫ বস্তা টাকাও উদ্ধার করা হয়। তখন র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক কর্নেল জিয়াউল আহসান বলেন, এখানে চুরি যাওয়া টাকা থেকে অল্প কিছু কম আছে বলে জানিয়েছেন সোহেল।

উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জে সোনালী ব্যাংকের পূর্বপাশের একটি বাড়ি থেকে সুরঙ্গ করে মাটির নিচ দিয়ে ব্যাংকের ভোল্টে প্রবেশ করে দুর্বৃত্তরা। এরপর তারা স্টোর রুমের টেবিলের ওপর রাখা ১৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা নিয়ে যায়। ব্যাংকে অন্তত আড়াই শ কোটি টাকা ছিল বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ