রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনচট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড : প্রধান উপদেষ্টা

চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড : প্রধান উপদেষ্টা

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর বাংলাদেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড। এর সঙ্গে যুক্ত হলে নেপাল, ভুটান; এমনকি সেভেন সিস্টার্সও লাভবান হবে। ড. ইউনূস আরও বলেছেন, চট্টগ্রাম বন্দর সেরা না হলে দেশের অর্থনীতি সেরা হবে না। এ সময় এই বন্দরকে আধুনিক ও শক্তিশালী করা হবে বলেও জানান প্রধান উপদেষ্টা।

বুধবার (১৪ মে) সকালে চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনালের (এনসিটি) ৫ নম্বর ইয়ার্ডে বন্দর কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ কথা বলেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এটা হৃৎপিণ্ড শুধু বাংলাদেশের জন্য না, আশপাশের দেশগুলোর জন্যও সংযুক্ত। যে কারণে নেপালের কথা বললাম, ভুটানের কথা বললাম, সেভেন সিস্টার্সের কথা বললাম। সবার জন্য হৃৎপিণ্ড একটাই। নেপালের হৃৎপিণ্ড নেই। কাজেই আমাদের হৃৎপিণ্ড দিয়ে তাদেরও চলতে হবে। আমরা তাকে সংযুক্ত করতে চাই।
 
হৃদপিণ্ডে সংযুক্ত হলে তারাও লাভবান হবে, আমরাও লাভবান হবো মন্তব্য করে তিনি বলেন, আমাদের লাভ। তাদেরও লাভ। এমন নয় যে এটা মেহেরবানি করছি, মেহেরবানির বিষয় নয়। ভুটান, সেভেন সিস্টার্স সংযুক্ত হলে তারাও লাভবান হবে, আমরাও লাভবান হবো। যারা এই হৃদপিণ্ডকে বাদ দেবে, তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এটা তাদেরও কাম্য নয়, আমাদেরও কাম্য নয়। আমরা চাই সবাই মিলে এ বন্দর থেকে যেন সঞ্চালনটা পাই। অর্থনৈতিক শক্তিটা পাই।

এর আগে এদিন সকালে চট্টগ্রাম শাহ আমানত বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধান উপদেষ্টা। এ সময় তাকে স্বাগত জানান চট্টগ্রামের মেয়রসহ অন্য কর্মকর্তারা। তারপর বিমানবন্দর থেকে সরাসরি চলে যান চট্টগ্রাম বন্দরে। সেখানে বন্দর ও জাহাজ চলাচল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি ও বাণিজ্য সংস্থার নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।

অন্তবর্তী সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথমবার নিজ জেলা চট্টগ্রাম সফর করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ