সোমবার, মে ২০, ২০২৪
প্রচ্ছদইন্টারভিউনৌবাহিনীতে যুক্ত হলো মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট

নৌবাহিনীতে যুক্ত হলো মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট

release-copy---বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে প্রথমবারের মত যুক্ত হলো জার্মানীর তৈরি অত্যাধুনিক ‘ডর্নিয়ার ২২৮ এনজি’ মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট। গতকাল সোমবার প্রথম এয়ারক্রাফ্টটি জার্মানী হতে ঢাকা সেনানিবাসস্থ বিএএফ ঘাঁটি বঙ্গবন্ধু’র টারমার্কে এসে পৌঁছে। নৌবাহিনী প্রধান ভাইস এডমিরাল এম ফরিদ হাবিব নতুন এ এয়ারক্রাফ্টটিকে স্বাগত জানান এবং পরিদর্শন করেন। উল্লেখ্য, এ ধরনের আরেকটি এয়ারক্রাফ্ট জার্মানী হতে এ মাসের শেষ সপ্তাহে এসে পৌঁছবে বলে আশা করা যাচ্ছে। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা (ঊঊত) এবং বর্ধিত মহিসোপান এলাকায় (এক্সটেন্ডেড কন্টিনেন্টাল শেলফ) সার্বক্ষণিক নজরদারী ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ নৌবাহিনী এ অত্যাধুনিক ‘ডর্নিয়ার ২২৮ এনজি’ মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটটি নৌবহরে যুক্ত করল। নজরদারীর কাজে বিশেষভাবে ব্যবহূত এ বিমান বাংলাদেশের সম্পূর্ণ সমুদ্রসীমা দ্রুততর সময়ের মধ্যে প্রদক্ষিণ করতে সক্ষম। এটি একটানা দশ ঘণ্টা আকাশে বিচরণ করে ২০০০ কিলোমিটারেরও বেশী পথ অতিক্রম করতে পারে। বাংলাদেশ সমুদ্রসীমায় অনুপ্রবেশ, চোরাচালান রোধ, গভীর সমুদ্র এলাকায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বরাদ্দকৃত ব্লকসমূহে অধিকতর নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং যেকোন দুর্ঘটনা কবলিত স্থান খুব অল্প সময়ে শনাক্তকরণসহ মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণের মাধ্যমে জাতীয় অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে এ টহল বিমান। অত্যাধুনিক এ টহল বিমান নৌবাহিনীতে সংযোজনের ফলে ইটলস এর ঐতিহাসিক রায়ে অর্জিত নতুন সমুদ্রসীমার ২০০ নটিক্যাল মাইল নিবিড় অর্থনৈতিক এলাকাসহ বর্ধিত মহিসোপান এলাকায় অধিকতর নজরদারী কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় বিশেষ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা সম্ভব হবে। বর্তমানে বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে হেলিকপ্টার অবতরণ ও উড্ডয়ন সুবিধাসম্বলিত তিনটি যুদ্ধজাহাজ গভীর সমুদ্র এলাকায় নজরদারী করছে। নতুন এ এয়ারক্রাফটটি সংযোজনের ফলে বাংলাদেশের সমুদ্র এলাকায় নৌবাহিনীর সার্বিক তৎপরতায় যুগান্তকারী পরিবর্তন বয়ে আনবে। এছাড়াও, ইন্টারন্যাশনাল মেরিটাইম অর্গানাইজেশন (ওগঙ) কর্তৃক বাংলাদেশকে প্রদত্ত অনুসন্ধান ও উদ্ধার এলাকায় (সার্চ এন্ড রেসকিউ জোন) বাংলাদেশের বিশেষ সক্ষমতা প্রতিষ্ঠিত হল। উল্লেখ্য, বিশ্বের উন্নত দেশসমূহ ছাড়াও প্রতিবেশী দেশ ভারত, মায়ানমার এবং পাকিস্তান নৌবাহিনী তাদের সমুদ্রসীমা নজরদারীর কাজে এ বিশেষায়িত বিমান ব্যবহার করে আসছে।অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সহকারী নৌপ্রধান (অপারেশন্স)সহ নৌ ও বিমান বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।-বিজ্ঞপ্তি

আরও পড়ুন

সর্বশেষ