জলবায়ু পরিবর্তনের উপর জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন বা কপ-২৭ সম্মেলন ১৬ নভেম্বর ২০২২ মিশরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এই সম্মেলন চলবে আগামী ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। এবং সেই সাথে ইন্দোনেশিয়ার বালিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলন চলছে। সম্মেলনে আমেরিকা ও ইউরোপের ধনী দেশগুলো যারা কার্বন নিঃসরণ করছে। যার ফলশ্রæতিতে বাংলাদেশসহ আরো অনেক দরিদ্র দেশ বিভিন্ন ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। যেমন, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ক্ষতি, জলবায়ু ও অর্থনৈতিক ন্যায় বিচার না পাওয়া, এছাড়াও পরিবেশের ক্ষতি হয় এমন প্রকল্পগুলোর মাধ্যমে দেশের জনগনের উপর বাড়ছে ঋণের বোঝা।
র্যালী শেষে বক্তব্য রাখেন প্রিমিয়ার বিশ^বিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিদ্যুৎ কান্তি নাথ, আলোকিত গার্মেন্টস ফেডারেশন এর সভাপতি বাপ্পী দেববর্মণ, সংশপ্তক এর প্রধান নির্বাহী লিটন চৌধুরী, ডেপুটি ডিরেক্টর অগ্রদূত দাশগুপ্ত, প্রোগ্রাম ম্যানেজার জয়নাব বেগম চৌধুরী, প্রোগ্রাম ফোকাল রফিকুল ইসলাম।
বক্তারা বলেন, আমেরিকা ও ইউরোপের ধনী দেশগুলো অতিরিক্ত কার্বন নিঃসরণ করছে। এর ফলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত প্রভাবে এর খারাপ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশসহ দরিদ্র দেশগুলো ক্ষতির মুখে পড়ছে। প্রতিনিয়ত প্রাকৃতিক দূর্যোগে আমরা ক্ষয়ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল থেকে নিয়মিত মানুষ জলবায়ু উদ্বাস্তু হয়ে বাস্তুচ্যুৎ হয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছে। মিশরে অনুষ্ঠিত এবারের কপ-২৭ জলবায়ু সম্মেলন থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানাচ্ছে। আমরাও তাদের সাথে সংহতি প্রকাশ করছি বাংলাদেশের র্যালী ও সমাবেশের মাধ্যমে। তারা বলেন, জলবায়ু ন্যায্যতা ও অর্থনৈতিক ন্যায় বিচার আদায়ের লড়াই-সংগ্রামে আমরা লাগাতার কর্মসূচি চালিয়ে যাবো।
সংশপ্তক, বাংলাদেশের বৈদেশিক দেনা বিষয়ক কর্মজোটের (বিডাব্লিউজিইডি), এবং ঋণ ও উন্নয়ন বিষয়ক এশীয় জন-আন্দোলনের (এপিএমডিডি) যৌথ উদ্যোগে এ র্যালী অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক নেতৃবৃন্দ, জলবায়ু-কর্মী অংশগ্রহণ করেন।




