বন্দর হিসেবে গড়ে ওঠার আগেই পণ্যবাহী একশ জাহাজ ভিড়ল বহুল আলোচিত মহেশখালীর মাতারবাড়ি বন্দরে। আগামী তিন বছরের মধ্যে পুরোদমে কার্যক্রম শুরু হলে এই বন্দর প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্য বাণিজ্যিক প্রাণকেন্দ্র হয়ে উঠবে বলে আশা ব্যবসায়ীদের। চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট বহির্নোঙর থেকে পরিচালনা করে আনা পানামার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি হোসি ফরচুনকে মহেশখালী মাতারবাড়ি বন্দরের জেটিতে ভেড়ায়। আর এর মাধ্যমে নতুন মাইলফলক অর্জন করে বহুল আলোচিত এই বন্দর। মূলত বন্দর হিসেবে গড়ে ওঠার আগেই পণ্যবাহী একশ জাহাজ ভেড়ার ইতিহাস তেমন কোনো বন্দরের নেই। বিদ্যুৎকেন্দ্রের কাজে ব্যবহারের জন্য চীন থেকে প্রায় ৫৭৩ মেট্রিক টন পণ্য আনা হয়েছে জাহাজটিতে করে।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব মোহাম্মদ ওমর ফারুক বলেন, ‘যেভাবে মাতারবাড়ির কার্যক্রম চলছে, আশা করি আগামী ২০২৪-২৫ সালের মধ্যে আমরা মাতারবাড়িকেও চট্টগ্রাম বন্দরের মতো এক কর্মযজ্ঞময় বন্দর হিসেবে দেখতে পাব। সাগর থেকে ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে আনা মাটিতেই মহেশখালীর মাতারবাড়িতে গড়ে উঠছে ১ হাজার ৩৬০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র। এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত কয়লার জন্য প্রয়োজন স্বতন্ত্র জেটির। কিন্তু জেটি হওয়ার আগেই বিদ্যুৎকেন্দ্রের মালামাল আসতে শুরু করায় জাহাজ ভেড়াতে হয় এখানেই। ২০২০ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রথম জাহাজ হিসেবে বার্থিং করেছিল পানামার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি ভেনাস ট্রায়াম্প। অবশ্য সেখানকার নির্মাণাধীন দ্বিতীয় জেটিতেও গত বছরের ১৫ জুলাই জাহাজ ভেড়ানো হয়।




