ষ্টাফরিপোর্টার (বিডিসময়২৪ডটকম)
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার প্রস্তাব গণতান্ত্রিক যাত্রাকে ব্যাহত করবে বলে মন্তব্য করেছে আওয়ামী লীগ। সোমবার বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনকালীন পাল্টা প্রস্তাবের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের নেতারা এমন মন্তব্য করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া সোমবার সংবাদ সম্মেলনে ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারে থাকা ২০ উপদেষ্টার মধ্যে থেকে ১০ জনের সমন্বয়ে একটি নির্বাচনকালীন সরকার গঠনের প্রস্তাব করেন।
সোমবার সন্ধ্যায় ধানমণ্ডিতে নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বনমন্ত্রী ও পরিবেশ মন্ত্রী হাসান মাহমুদ বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্যে নতুন কিছু নেই। ঘুরে ফিরে সেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কথাই বলছেন। তাদের দাবি সংবিধান সম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, আমরা গণতন্ত্রকে সমুন্নত করতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বদলীয় সরকার গঠনের জন্য প্রস্তাব করেছেন।
এদিকে বিকালে কারওয়ান বাজারস্থ টিসিবি ভবনে গণমাধ্যমকে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল আলম হানিফ বলেছেন, খালেদা জিয়ার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় বসার সুযোগ নেই। কারণ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া প্রস্তাব ও খালেদা জিয়ার প্রস্তাব এক নয়।
হানিফ বলেন, আগামী নির্বাচন অন্তর্ববর্তীকালীন সরকারের অধীনেই হবে। খালেদা জিয়ার প্রস্তাব মেনে নেওয়া আর তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন করা একই কথা।
খালেদা জিয়ার প্রস্তাব সম্পর্কে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা মণ্ডলীর সদস্য সুরঞ্জিত সেন গুপ্ত বলেন, খালেদা জিয়া ঘুরে ফিরে সেই তত্ত্বাধায়ক সরকারের প্রস্তাবই করছেন। তার এই প্রস্তাব মেনে নেওয়া আর সংবিধান লঙ্ঘন করা একই কথা। খালেদার জিয়ার এই অযৌক্তিক আবদার মেনে নেওয়া হবে না বলেও তিনি মন্তব্য করেন।




