অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত বলেছেন, ইতিহাস সাক্ষী দেয়, অনেক প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীদের সন্তান নানা অপকর্মে লিপ্ত থাকেন, জয় তাদের চেয়ে একেবারেই আলাদা। বহু অপকর্মের হোতা তারেকের সঙ্গে জয়ের তুলনা করা সমীচীন নয়। শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসির একটি হোটেলে প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে এক মত বিনিময় অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জয়ের সঙ্গে তারেকের কোনো তুলনাই হতে পারে না। বঙ্গবন্ধুর নাতি সজীব ওয়াজেদ জয় নিজের স্ট্যাটাস বজায় রেখে চলেছেন। অন্য প্রধানমন্ত্রী বা মন্ত্রীপুত্রের মতো কোনো ধরনের অপকর্মে জড়াননি।
তিনি বলেন, আমি তো ভেবেছিলাম তারেক রহমানের মতো একজন দস্যু শ্রেণির মানুষের নাম দেশের মানুষ লজ্জায় মুখেই আনবে না। তারপরও দেখছি কিছু লোক তারেক রহমানের জীবন-কর্ম নিয়ে বানেয়াট প্রবন্ধ লিখছেন এবং সে সব লেখা নিয়ে পুস্তকও প্রকাশিত হচ্ছে। এটা আমি চিন্তাও করতে পারিনি।
মুহিত বলেন, আসছে ১ জানুয়ারি আমার বয়স ৮০ পূর্ণ হবে। আমি নির্বাচনে আগ্রহী ছিলাম না। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নির্দেশ অমান্য করব কীভাবে? এজন্যেই হয়তো এবারও সিলেট থেকেই প্রার্থী হতে হবে। তবে সবটাই নির্ভর করছে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন বোর্ডের ওপর। তারা যদি আমাকে মনোনয়ন দেন তাহলে নির্বাচনের ময়দানে থাকতেই হবে।
অর্থমন্ত্রী দাবি করেন, গ্রামীণ ব্যাংক এখন আগের চেয়ে অনেক ভালো চলছে। এই ব্যাংকের কর্মীরাও এখন ‘স্বচ্ছন্দে’ কাজ করার পরিবেশ পেয়েছেন। আগে সবকিছু নির্ভর করতো ড. ইউনূসের মর্জির ওপর। তিনিই তো সেটির প্রতিষ্ঠাতা। এরশাদের অর্থমন্ত্রী থাকাকালে আমার হাত দিয়েই গ্রামীণ ব্যাংক প্রতিষ্ঠার লাইসেন্স ইস্যু হয়েছে। তাই গ্রামীণের প্রতি আমারও আন্তরিকতার অভাব নেই।
মতবিনিময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটনের বাঙালি কম্যুনিটির নেতা ড. শাহজাহান মাহমুদ, মাহমুদুন্নবী বাকী, শিব্বির আহমেদ, আলমগীর সোহেল, করিম বাচ্চু, আনোয়ার হোসেন, অধ্যাপক জিয়াউদ্দিন খান ও জি আই রাসেল প্রমুখ।
উল্লেখ্য, বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সম্মেলনে যোগ দিতে গত ৯ই অক্টোবর ওয়াশিংটন যান অর্থমন্ত্রী। সোমবার তার দেশে ফেরার কথা রয়েছে।




