সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে সংগঠনের চট্টগ্রাম জেলার সাবেক সভাপতি, রাজনীতিবিদ, সমাজ সেবক ও জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য ড. মাহমুদ হাসানের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী পালন উপলক্ষে স্মরণ সভা আজ ৩১ মার্চ রবিবার বিকেলে চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সংগঠনের মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুলের সভাপতিত্বে ও জেলার সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম.এ সালাম। প্রধান আলোচক ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক মফিজুর রহমান। আলোচক ছিলেন সংগঠনের চট্টগ্রাম বিভাগীয় সদস্য সচিব বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টু, সিভাসুর অধ্যাপক ড. রাশেদুল আলম, মহানগর সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বি.কে বিশ্বাস বিপ্লব, এডভোকেট ভবতোষ নাথ, সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমদ, এড. উম্মে হাবিবা, মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা খায়ের আহম্মেদ, মুক্তিযোদ্ধা লেয়াকত হোসেন। আলোচনায় অংশ নেন সংগঠনের মহানগর যুগ্ম সম্পাদক মো: সেলিম চৌধুরী, মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক শাহেদ মুরাদ শাকু, জেলার নারী বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট সাইফুন্নাহার খুশি, প্রচার সম্পাদকদ্বয় মো: জসিম উদ্দিন, ইঞ্জি. পলাশ বড়–য়া, জসিম উদ্দিন মিঠুন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য নুরুল হুদা চৌধুরী, এড. ইফতেখার রাসেল, এড. কামরুল আজম টিপু, নাছির উদ্দিন রিয়াজ, আলহাজ্ব নাজিম উদ্দিন, পংকজ রায়, মঈনুল আলম খান, শফিকুর রহমান, সুপ্রিয় দাশ অপু, ইয়াছির আরাফাত, আরিফ মঈনুদ্দিন, আফসারুল হক, জাহাঙ্গীর সুমন, দীপন দাশ, মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব, এড. রোকসানা আক্তার, বখতেয়ার সাইদ ইরান, মো: গিয়াস উদ্দিন, তানভির হোসেন তপু, স.ম জিয়াউর রহমান, নবীহোসেন সালাউদ্দিন, নুরুল হোসেন মাসুদ, রাজীব চন্দ, মাহমুদুল করিম, আফতাব উদ্দিন সুমন, শাহিন আক্তার বিউটি, আবু তালেব সানী, এড. রাহিলা চৌধুরী রেখা, এড. সৈকত দাশগুপ্ত, হেদায়েত হোসেন সোহেল, রাসেল উদ্দিন, শাহ আলম, আহমেদ এরশাদ খোকন এবং পরিবারের পক্ষে মরহুম নেতার সন্তান, চট্টগ্রাম জেলা পরিষদ সদস্য আখতার উদ্দিন মাহমুদ পারভেজ প্রমুখ।
স্মরণ সভায় প্রধান অতিথি এম.এ সালাম বলেন, আল্লাহর সৃষ্টির সেরাজীব মানুষের কল্যাণে কাজ করাই বড় ইবাদত; ড. মাহমুদ হাসান সেই কাজটিই আমৃত্যু করে গেছেন। মানুষের কল্যানে কাজ করাই ছিল তার জীবনের ব্রত। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠাই ছিল তার জীবনের রাজনীতির দর্শন। বিপুল অর্থ বৃত্তের মালিক হওয়া সত্বেও তিনি সাধারণ জীবন যাপনে অভ্যস্ত ছিলেন। একজন মুক্ত চিন্তার মানুষ হিসেবে অসাম্প্রদায়িক রাজনীতিকে ধারণ করে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিকাশে তিনি নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়েছেন।
প্রধান আলোচক মফিজ বলেন, মাহমুদ হাসান ছিলেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শানিত অকুতোভয় যোদ্ধা। অসাম্প্রদায়িকতার মননে মননশীল, বাঙালি সত্তার প্রতি নিবিষ্টচিত্ত দেশপ্রেমিক হিসেবে তিনি ছিলেন মৌলবাদ, জঙ্গিবাদ ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে সোচ্চার। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রশ্নে আমৃত্যু উচ্চকন্ঠ ও রাজপথে সরব ছিলেন মাহমুদ হাসান। তার আদর্শিক পথেই নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের শোষণহীন, ক্ষুধা-দারিদ্রমুক্ত দেশ গঠনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় এগিয়ে যেতে হবে। সভার শুরুতে মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত ও দোয়া মাহফিল পরিচালনা করেন গণআজাদী লীগের চট্টগ্রাম জেলা সভাপতি মাওলানা নজরুল ইসলাম আশরাফী এবং পরে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।



