একাত্তরের পঁচিশে মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবসকে ‘আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবসের’ স্বীকৃতি প্রদানের দাবীতে সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে আজ ২৪ মার্চ রবিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে সমাবেশ ও সন্ধ্যায় শহীদদের স্মরণে প্রদীপ প্রজ্জ্বলন কর্মসূচী পালিত হয়েছে। সংগঠনের জেলা সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আলম মন্টুর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চুয়েট’র ভিসি অধ্যাপক ড. রফিকুল আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা আওয়ামী লীগ সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক মো: মঈনুদ্দিন, চট্টগ্রাম জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি এডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী, সংগঠনের বিভাগীয় সমন্বয়ক বেদারুল আলম চৌধুরী বেদার, জেলা পরিষদ সদস্য নারী নেত্রী দিলোয়ারা ইউসুফ। সংগঠনের জেলা সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ডা. সরফরাজ খান চৌধুরী বাবুল, সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বি.কে বিশ্বাস বিপ্লব, সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা ফজল আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা সাধন চন্দ্র বিশ্বাস, ফোরকান উদ্দিন আহমেদ, মুক্তিযোদ্ধা গৌরি শংকর চৌধুরী, মুক্তিযোদ্ধা বাদশা মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা নুরুল আমিন, লেয়াকত হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক সেলিম চৌধুরী, দিদারুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মালেক খান, শাহেদ মুরাদ শাকু, জসিম উদ্দিন মিঠুন, সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য ইঞ্জিনিয়ার পলাশ বড়–য়া, জসিম উদ্দিন, হাজী সেলিম রহমান, মনোয়ার জাহান মনি, নুরুল হুদা চৌধুরী, এড.ইফতেখার রাসেল, এড. জাহাঙ্গীর আলম, অধ্যাপক প্রদীপ রায়, ডা.সৈয়দ সাইফুল ইসলাম, আফসারুল হক, এড.কামরুল আজম টিপু, পংকজ রায়, নাজিম উদ্দিন, মঈনুল আলম খান, ইঞ্জি. রুহুল আমীন, মো: লিফটন, ইব্রাহিম চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান বিপ্লব, রঘুনাথ মজুমদার, কামাল উদ্দিন, দীপন দাশ, মো: সিরাজ, খোরশেদ আলম, নবী হোসেন সালাউদ্দিন, আব্দুর রহিম, আফতাব উদ্দিন সুমন, মো: হোসেন চৌধুরী সাদ্দাম, ইয়াসমিন আক্তার জগ্নু, আসিফ ইকবাল, মো: গিয়াস উদ্দিন, কোহিনুর আক্তার, আবু তালেব সানি, এড. রাহেলা চৌধুরী রেখা, জবরুতউল্ল্যাহ জয়, এম.এ হাসান, এড. মাহামুদুন্নবী শিমুল, এড.সৈকত দাশগুপ্ত, শাহাজান রুবেল, রহমত উল্ল্যাহ রিফাত, আশরাফ খান, নুসরাত জাহান, নাছির উদ্দিন, সাইফুল্ল্যাহ চৌধুরী প্রমুখ।
সমাবেশে ঘোষণা পত্র পাঠ করেন, চট্টগ্রাম জেলা সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের মহিলা সম্পাদিকা এডভোকেট সাইফুন্নাহার খুশি।
সমাবেশে প্রধান অতিথি বলেন, ১৯৭১ সালের ভয়াল কালো রাত ২৫ মার্চের গণহত্যা শুধু এক রাতের হত্যাকান্ডই ছিলনা, এটা ছিল মূলত: বিশ্ব সভ্যতার জন্য এক কলংকজনক জঘন্যতম গণহত্যার সূচনা মাত্র। পরবর্তী নয় মাসে একটি জাতিকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার লক্ষে ৩০ লক্ষ নিরপরাধ নারী-পুরুষ-শিশুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বর্বর পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসররা পূর্ণতা দিয়েছিল সেই ঘৃণ্য ইতিহাসকে। তাদের সংঘটিত গণহত্যা, ধর্ষণ, লুন্ঠন, অগ্নিসংযোগ সবই ১৯৪৮ সালের ১১ ডিসেম্বর জাতিসংঘ গৃহীত ‘জেনোসাইড কনভেনশন’ শীর্ষক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তে বর্ণিত সংজ্ঞায় গণহত্যার চুড়ান্ত উদাহরণ। বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে ২০১৭ সালে ১১ মার্চ ২৫ মার্চ জাতীয় গণহত্যা দিবস পালনের প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে গৃহীত হওয়ার পর থেকেই দিনটি জাতীয় গণহত্যা দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব সভ্যতার ইতিহাসে কলঙ্কিত গণহত্যার দিন ২৫ মার্চকে আন্তর্জাতিক গণহত্যা দিবস ঘোষণা আজ সময়ের দাবী।
সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সমাবেশ ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলন



