ফটিকছড়ি উপজেলার পাঁচটি পথসভার মধ্যে চারটি জনসভায় পরিণত হয়েছিল উল্লেখ করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, আজাদী বাজারের পথসভায় মুষ্টিমেয় কয়েকজন ছেলে স্লোগান দিয়ে পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করেছিল। তাই রাগ করে আমি বক্তৃতা দিইনি। ৫ অক্টোবর দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে মন্ত্রী একথা বলেন।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ১০ বছরের সোনালি সময়ের উন্নয়নবার্তা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে মিরসরাই থেকে পথসভার কর্মসূচি শুরু করেছি আমরা। ফটিকছড়িতে বৃহস্পতিবার (৪ অক্টোবর) চারটি পথসভা জনসভায় পরিণত হয়। আজাদী বাজারের পথসভায় আমি বক্তৃতা দিইনি। মিডিয়ায় সামান্য উত্তেজনাকে ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে। অথচ চারটি সফল জনসভার খবর নেই। আমি অনুরোধ করবো, সফলতার কথাও যেন প্রচার করা হয়।
তরিকত ফেডারেশনের চেয়ারম্যান, সংসদ সদস্য নজিবুল বশর মাইজভাণ্ডারী ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা এস এম আবু তৈয়বের দিকে ইংগিত করে মন্ত্রী বলেন, দলের মধ্যে বিভ্রান্তি, উন্নয়নকাজের চিত্র জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছানোর কাজে যারা বাধা সৃষ্টি করছে তাদের ব্যাপারে সভানেত্রীকে অবহিত করবো। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সব উপজেলায় সরকারের উন্নয়নচিত্র জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য পথসভা করবো আমরা। প্রয়োজনে দক্ষিণ জেলা ও কক্সবাজারের প্রতিটি ঘরে ঘরে যাবো।
অপর এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, ১০ বছরে এত উন্নয়ন হয়েছে যে ড. কামাল হোসেন, বদরুদ্দোজা চৌধুরী ও মান্নাদের মাথা খারাপ হয়ে গেছে। তাই তারা ষড়যন্ত্র করছে। ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে দাবিয়ে রাখা যাবে না। জঙ্গি আস্তানা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জঙ্গিবাদ প্রশ্নে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। জঙ্গিদের যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করা হবে। এ ব্যাপারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সজাগ রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ সালাম, আওয়ামী লীগ নেতা এটিএম পেয়ারুল ইসলাম, জসীম উদ্দিন শাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মুজিবুল হক, সাবেক সংসদ সদস্য রফিকুল আনোয়ারের মেয়ে খদিজাতুল আনোয়ার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাজিম উদ্দিন মুহুরী, সাদাত আনোয়ার সাদী প্রমুখ।




