তিতাসের কয়েকটি ফিল্ড বন্ধ হয়ে গেছে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, গ্যাসের মজুদ কমতে শুরু করেছে। ৮ আগস্ট সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, আমরা আগে থেকেই ধারণা করেছিলাম ২০১৮ তে এসে গ্যাসের মজুদ কমে যাবে। এরই মধ্যে কমে যেতে শুরু করেছে। এ জন্য আমরা জ্বালানি আমদানির দিকে নজর দিয়েছি। পাশাপাশি দেশের মধ্যে অনুসন্ধান জোরদার করা হচ্ছে, সেখানেও কিছু গ্যাস পাওয়া গেছে।
বছরে দুই বিলিয়ন ডলারের জ্বালানি আমদানির প্রয়োজন পড়বে। প্রশ্ন ছিলো এতে ডলার রির্জাভে কোনো প্রভাব পড়বে কি-না? সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দুই বিলিয়ন ডলার কিছুই না। আমরা বাংলাদেশ ব্যাংক, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। এই দুই বিলিয়নের সুফল পড়বে ২০ গুণ। এতে কোনো সমস্যা হবে না।
অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি ঘটনায় তদন্ত চলছে। একটি প্রাথমিক রিপোর্ট পাওয়া গেছে, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে হাই প্রোফাইল তদন্ত চলছে। রিপোর্ট পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিগত দিনে যারা দায়িত্বে ছিলেন, এমনকি অডিটেও গাফিলতি থাকলেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংবাদ সম্মেলনে অন্যদের মধ্য জ্বালানি বিভাগের সচিব আবু হেনা মো রহমাতুল মুনিম উপস্থিত ছিলেন।




