সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদটপনৌমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ

নৌমন্ত্রীর দুঃখপ্রকাশ

বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত শিক্ষার্থীদের নিয়ে হাস্যোজ্জ্বলভাবে নিজের দেওয়া বক্তব্য নিয়ে অবশেষে দুঃখপ্রকাশ করলেন নৌপরিবহন মন্ত্রী ও শ্রমিক কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদের আহ্বায়ক শাজাহান খান। তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের মৃত্যু নিয়ে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের কাছে দেওয়া বক্তব্যে আমি দুঃখিত ও লজ্জিত। এতে যারা আহত হয়েছেন তাদের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দরভাবে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ৩১ জুলাই বিসিআইসি ভবন মিলনায়তনে শ্রমিক-কর্মচারী পেশাজীবী মুক্তিযোদ্ধা সমন্বয় পরিষদ আয়োজিত ‘মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ ৬ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রতিনিধিসভায় তিনি দুঃখপ্রকাশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, সেদিন সচিবালয়ে আমরা সবাই খুব উৎফুল্ল ছিলাম। ৬৮ বছর পর মোংলা বন্দরের জন্য একটি ক্রেন কিনেছি। ওখানে তখন চুক্তি সই হচ্ছিল। সে কারণে বক্তৃতার সময় আমি খুব হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলছিলাম। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন করলাম আপনাদের যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহলে করতে পারেন। তখন এক সাংবাদিক দুর্ঘটনার বিষয়ে জানতে চান। বিষয়টি আমার জানা ছিল না। তারপরেও নানাভাবে কথা বলানোর চেষ্টা করেন সাংবাদিকরা। তখন আমি কিছুটা হাসিখুশিভাবে কথা বলেছি। এ ঘটনায় আমি দুঃখিত ও লজ্জিত। এতে যারা আহত হয়েছেন তাদের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দরভাবে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

শাজাহান খান আরও বলেন, কেউ যদি বলেন দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে আমি শুধু ড্রাইভারদের পক্ষ নেই, এটি ঠিক নয়। যে ভুল করবে, অন্যায় করবে তার সাজা তাকে পেতে হবে। এটি আগেও বলেছি। এখনও বলছি।

সংগঠনের যুগ্ম-আহ্বায়ক ইসমত কাদির গামার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শোকের মাস ও বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থীদের স্মরণে ১ মিনিট দাঁড়িয়ে শোক জানানো হয়। সভায় অভিনেত্রী ও সংগঠনের নেতা রোকেয়া প্রাচী বলেন, অফিস-আদালতে স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিতে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় স্বাধীনতাবিরোধী শক্তির শেকড় উপড়ে ফেলতে হবে। সভায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা হেলাল মোর্শেদ বীরবিক্রম, বিদ্যুৎ শ্রমিকলীগের সিবিএ নেতা জহিরুল ইসলাম এবং বিআইডব্লিওটিএ’র সিবিএ সভাপতি মহসিন ভূইয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মুক্তিযোদ্ধা ও স্বাধীনতাবিরোধীর সন্তানদের সরকারি চাকরিতে নিয়োগ না দেওয়ার পাশাপাশি স্বাধীনতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধীদের সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করাসহ ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবি জানানো হয়।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ