নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে গ্রেফতার হওয়া চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নূরুল আজিম রণিকে অস্ত্র মামলায় জামিন দেননি আদালত। ১০ মে চট্টগ্রামের বিচারিক হাকিম আবু রেজার আদালতে রণির জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন তার আইনজীবীরা। শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করেন।
রণির আইনজীবী অ্যাডভোকেট ইফতেখার সাইমুল চৌধুরী বলেন, অস্ত্র মামলায় জামিনের আবেদন জানিয়েছিলাম। কিন্তু এখতিয়ার না থাকায় আদালত জামিন দেননি। দুই বছরের কারাদণ্ডাদেশের বিরুদ্ধে কাল (বুধবার) আপিল দায়ের করব। এদিকে রণির মুক্তির দাবিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মিছিল-সমাবেশে উত্তাল হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণ। গত ০৭ মে বেলা সোয়া ১২টার দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন চলাকালে হাটহাজারী উপজেলার মির্জাপুর থেকে নির্বাচনে দায়িত্বরত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রণিসহ নয়জনকে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এসময় রনির কাছে একটি নাইন এমএম পিস্তল, ১৫ রাউন্ড গুলি ও ২৬ হাজার টাকা পাওয়া যায়। এরপর তাদের হাটহাজারী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পরে ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত রণিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা ২০১৬ এর দুটি ধারায় এক বছর করে মোট দুই বছর কারাদণ্ড দেন। পরদিন সকালে রণিকে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। একইদিন রণির বিরুদ্ধে হাটহাজারী থানায় অস্ত্র আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়। চট্টগ্রামের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তির ছাত্রনেতা হিসেবে পরিচিত রণি উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ছাত্রলীগের সব পদ থেকে সাময়িক অব্যাহতি চেয়েছেন।




