রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়বাংলাদেশ ও ভারতের নেতাদের একমত হওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নই হবে আমার প্রথম কাজ

বাংলাদেশ ও ভারতের নেতাদের একমত হওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নই হবে আমার প্রথম কাজ

বাংলাদেশ ও ভারতের নেতাদের একমত হওয়া সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নই হবে আমার প্রথম কাজ’ বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশে  নবনিযুক্ত ভারতের  হাইকমিশনার‍ হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। দুই দেশের বিরাজমান সুসম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। নতুন দায়িত্ব পালনে ১৪ জানুয়ারি  দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে ঢাকায় পৌঁছেছেন শ্রিংলা। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে নিজের নানা লক্ষ্যের কথা জানান তিনি। থাই এয়ারওয়েজের একটি ফ্লাইটে ঢাকা আসেন শ্রিংলা। কিছুক্ষণ পর ভিআইপি লাউঞ্জের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে নিজেই এগিয়ে আসেন অপেক্ষমান সংবাদকর্মীদের সামনে। কুশল বিনিময় করে পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে জন্ম নেওয়া ভারতীয় এই কূটনীতিক বাংলায় বলেন, ‘আজ আমি খুব খুশি ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে  আসতে পেরে। দুই প্রতিবেশী দেশের  বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়াই আমার গুরু দায়িত্ব। এই সু্ন্দর, সোনার বাংলাদেশে আমার সময়  খুব সুন্দর সময় কাটবে বলে ‌আশা করি’। পরে অবশ্য ইংরেজিতেই বক্তব্য দেন তিনি। এর আগে  দিল্লির হেডকোয়ার্টারে দায়িত্ব পালনকালে বেশ কয়েকবার এদেশে আসার সুযোগ  হয়েছে উল্লেখ করে হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেন, তবে এবার ভিন্ন অভিজ্ঞতা। বাংলাদেশ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ  প্রতিবেশী। হাইকমিশনারের দায়িত্ব পেয়ে আমি ভীষণ আনন্দিত। দুই দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও বেগবান ও  বিস্তৃত করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার। এরপর স্ত্রী ও একমাত্র পুত্রকে নিয়ে বিমানবন্দর ছেড়ে ভারতীয় হাইকমিশনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন তিনি।

বিমানবন্দরে শ্রিংলাকে ফুলের তোড়া দিয়ে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কাউন্সিলর (সংস্কৃতি), পরিচালক (ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার), ফার্স্ট সেক্রেটারি রাজেশ উইকি (পলিটিক্যাল অ্যান্ড ইনফরমেশন), ফার্স্ট সেক্রেটারি সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় (তথ্য ও সংস্কৃতি), ফার্স্ট সেক্রেটারি জিষ্ণু প্রসন্ন মুখোপাধ্যায়, (শিক্ষা), সেকেন্ড সেক্রেটারি মনুস্মৃতি (পলিটিক্যাল অ্যান্ড ভিসা), অ্যাটাশে রঞ্জন মণ্ডলসহ (তথ্য ও সংস্কৃতি) পদস্থ কর্মকর্তারা। ভারতীয় হাইকমিশনের এসব কর্মকর্তারা ছাড়াও তাকে স্বাগত জানাতে আসেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা এবং ঢাকায় নিযুক্ত কয়েকটি দেশের হাইকমিশনার-রাষ্ট্রদূত। এর আগে ব্যাংককে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। তিনি বাংলাদেশে ভারতের বিদায়ী হাইকমিশনার পঙ্কজ শরণের স্থলাভিষিক্ত হলেন। ব্যাংককে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে তিনি দীর্ঘদিন ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বাংলাদেশ ডেস্কে কর্মরত ছিলেন। হর্ষ বর্ধন শ্রিংলার কূটনৈতিক ক্যারিয়ার ত্রিশ বছরের। নয়াদিল্লিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছাড়াও তিনি প্যারিস, হ্যানয় ও তেলআবিবে ভারতীয় হাইকমিশনে নিযুক্ত ছিলেন। এছাড়া জাতিসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনে মিনিস্টার/কাউন্সেলর হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ