প্রধানমন্ত্রী শেথ হাসিনা জেলা প্রশাসকদের ২১টি নির্দেশনা দিয়েছেন।তিনি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারদেরকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি অবস্থান করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। একইসঙ্গে তাদের সকল প্রকার ভয়ভীতি ও প্রলোভনের উর্ধ্বে থেকে আইনের আওতায় কাজ করার কথা বলেছেন। মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে আয়োজিত ৩ দিন ব্যাপী জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধনী বক্তৃতায় তিনি এসব নির্দেশনা দেন। রাষ্ট্র তথা জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণই হবে আপনাদের মূল লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেবার মনোভাব নিয়ে সত্য ও ন্যায়ের পথে অবিচল থাকলে আপনাদের পক্ষে যথাযথভাব দায়িত্ব পালন করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবা গ্রহণে কেউ যেনো হয়রানি বা বঞ্চনার শিকার না হয়। নারী ও শিশু নির্যার্তন ও পাচার ও মাদক দ্রব্যের অপব্যবহারসহ যৌতুক ও বাল্যবিবাহ রোধ করতে হবে। প্রতিবন্ধী, অটিস্টিক ও পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর কল্যাণে বিশেষ পদক্ষেপ নিতে হবে। গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, সম্ভাবনাময় স্থানীয় মাঝারী শিল্পের বিকাশে ব্যবস্থা নিতে হবে। জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছানোর লক্ষ্যে তথ্য প্রযুক্তির বিকাশে সহায়তা করার নির্দেশনাও দেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলনে জেলা প্রশাসকদের পাশাপাশি, বিভাগীয় কমিশনার, মন্ত্রী, উপদেষ্টা, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী, সিনিয়র সচিব এবং সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত রয়েছেন। সম্মেলনে মোট ২২টি সেশন হবে। এর মধ্যে কার্য অধিবেশন থাকবে ১৮টি। এর আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের জানান, অংশগ্রহণকারী মন্ত্রণালয়ের সংখ্যা ৩৯টি হলেও দুই থেকে তিনটি মন্ত্রণালয় একত্রিত করে মোট ১৮টি অধিবেশনে সম্মেলন সম্পন্ন করা হবে। সম্মেলনে ডিসিদের পক্ষ থেকে ২৫৩ টি প্রস্তাব এসেছে। এর মধ্যে ২৫ টি প্রস্তাব ভূমি এবং ২৪টি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের।




