সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়কামারুজ্জামান সুস্থ, স্বাভাবিক ও অবিচল আছেন

কামারুজ্জামান সুস্থ, স্বাভাবিক ও অবিচল আছেন

মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কামারুজ্জামানের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে শেষ দেখা করে এলেন তার পরিবারের সদস্যরা। শনিবার  বিকেল পাঁচটা ২৫ মিনিটে সোয়া এক ঘণ্টাব্যাপী সাক্ষাৎ শেষে কারাগারের ভেতর থেকে বের হয়ে আসেন তারা। জেলগেটে সাংবাদিকদের কাছে বড় ছেলে হাসান ইকবাল দাবি করেন, তার বাবা সুস্থ, স্বাভাবিক ও অবিচল আছেন। তার মনোবল দৃঢ় আছে। তিনি আমাদের মাধ্যমে তার নামাজে জানাজা ও দাফন গ্রামের বাড়িতে করতে দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন। দলের (জামায়াত) লোকজন যেন তাতে অংশ নিতে পারেন, সে অনুরোধও জানিয়েছেন তিনি। এর আগে বিকেল চারটা ১০ মিনিটে জেলগেটে পৌঁছেই কারাগারের ভেতরে যান পরিবারের সদস্যরা। দুপুর সোয়া তিনটার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের সাংবাদিক কলোনির বাসা থেকে একটি মাইক্রোবাস (নম্বর: ঢাকা মেট্রো চ-১৩৭৯১৭) ও একটি জিপ গাড়িতে (নম্বর: ঢাকা মেট্রো চ-১৩৮৩৭৪) কারাগারের দিকে রওনা হন তারা। এ দলে পরিবারের সদস্য, গ্রামের আত্মীয়-স্বজনসহ ২১ জন ছিলেন।

পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছিলেন কামারুজ্জামানের স্ত্রী নূরুন্নাহার, বড় ছেলে হাসান ইকবাল, মেঝো ছেলে হাসান ইমাম, মেয়ে আতিয়া নূর, বড় ভাই কফিলউদ্দিন, দুই ভাতিজি, দুই ভাগ্নি রুখশানা জেরিন মুন্নি ও মলিসহ অন্যরা। এদিকে দেশের বাইরে থাকায় শেষ দেখা করতে আসতে পারেননি কামারুজ্জামানের অন্য দুই ছেলে হাসান ইকরাম ও হাসান জামান। এর আগে দুপুরে বিকেল চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে তাদের কারাগারে গিয়ে দেখা করতে বলেন কারা কর্তৃপক্ষ। হাসান ইকবাল জানান, দুপুর ১টা ২২ মিনিটে লাভলু নামের একজন ডেপুটি জেলার আমার আম্মাকে (কামারুজ্জামানের স্ত্রী) ফোন দিয়ে কারাগারে যেতে বলেন। কারাগারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা ছিল, বিকেল চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যেই যেন পরিবারের সদস্যরা কারাগারে পৌঁছান। এদিকে এটিই ছিল ফাঁসি কার্যকরের আগে দেশের এই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের শেষ সাক্ষাৎ। এর আগে গত ৬ এপ্রিল ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তার পরিবারের সদস্যরা।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ