মানবতাবিরোধী অপরাধে ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত কামারুজ্জামানের সঙ্গে শেষ দেখা করার জন্য ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে গেছেন তার পরিবারের সদস্যরা। শনিবার বিকেল চারটা ৫ মিনিটে জেলগেটে পৌঁছেন পরিবারের সদস্যরা। চারটা ১০ মিনিটে কারাগারের ভেতরে যান তারা। এর আগে দুপুর সোয়া তিনটার দিকে মিরপুর ১১ নম্বরের সাংবাদিক কলোনির বাসা থেকে একটি মাইক্রোবাস (নম্বর: ঢাকা মেট্রো চ-১৩৭৯১৭) ও একটি জিপ গাড়িতে (নম্বর: ঢাকা মেট্রো চ-১৩৮৩৭৪) কারাগারের দিকে রওনা হন তারা। এ দলে পরিবারের সদস্য, গ্রামের আত্মীয়-স্বজনসহ ২১ জন রয়েছেন বলে জানান কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল। পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন, কামারুজ্জামানের স্ত্রী নূরুন্নাহার, বড় ছেলে হাসান ইকবাল, মেঝো ছেলে হাসান ইমাম, মেয়ে আতিয়া নূর, ভাগ্নি রুখশানা জেরিনসহ অন্যরা। এর আগে দুপুরে বিকেল চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যে তাদের কারাগারে গিয়ে দেখা করতে বলেন কারা কর্তৃপক্ষ।
কামারুজ্জামানের আইনজীবী ও ছেলে হাসান ইকবাল জানান, দুপুর ১টা ২২ মিনিটে লাভলু নামের একজন ডেপুটি জেলার আমার আম্মাকে (কামারুজ্জামানের স্ত্রী) ফোন দিয়ে কারাগারে যেতে বলেন। কারাগারের পক্ষ থেকে নির্দেশনা ছিল, বিকেল চারটা থেকে পাঁচটার মধ্যেই যেন পরিবারের সদস্যরা কারাগারে পৌঁছান। এদিকে এটিই হতে যাচ্ছে ফাঁসি কার্যকরের আগে দেশের এই শীর্ষ যুদ্ধাপরাধীর সঙ্গে তার পরিবারের সদস্যদের শেষ সাক্ষাৎ। এর আগে গত ৬ এপ্রিল ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াতের সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মোহাম্মদ কামারুজ্জামানের সঙ্গে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে দেখা করেন তার পরিবারের সদস্যরা। সেবার ১৪ জন কারাগারে যান। তাদের মধ্যে ৫ জন ছিলেন জামায়াতের নেতা। ঘণ্টাখানেক তারা সেখানে অবস্থান করেন। সাক্ষাৎ শেষে বের হয়ে কামারুজ্জামানের বড় ছেলে হাসান ইকবাল সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তার বাবার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের আগে তারা আবারও দেখা করার সুযোগ পাবেন। সে অনুযায়ীই সুযোগটি এসেছে বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।




