সিলেটের গোয়াইনঘাট থেকে এসেছেন আয়াতুল্লাহ। তিনি বলেন, বয়ানে আমরা আল্লাহ-রাসূলের দীনের কথা শুনি, তসবি পড়ি, আল্লাহর নাম নেই, জিকির করি। অনেক সময় হুজুর পড়েন, আমরা শুনি। জুমায় বড় বয়ান হয়। ইতোমধ্যেই লাখো মুসল্লি অংশ নিয়েছেন বিশ্ব ইজতেমায়। প্রতিটি জেলা ও থানার জন্য আলাদাভাবে স্থান বরাদ্দ করা হয়েছে। এছাড়া, খণ্ড খণ্ডভাবে মুসল্লিরা রান্নার কাজ করছেন। এখন চলছে জুমার খুতবা। দুইটায় শুরু হবে জামাত। রংপুর ক্যান্টনমেন্ট থেকে আসা মুসল্লি নূরে আলম বলেন, গোসল ও ওজু করে সকাল ৯টা থেকে ১০টা পযর্ন্ত তালিম পড়েছি। এতে নামাজ, কুরআন, রমজান ও জিকিরের বিভিন্ন চ্যাপ্টার রয়েছে। আমরা নামাজের জন্য প্রস্তুত। এর পরে বড় বয়ান হবে।
অবরোধের মধ্যেও ভোগান্তি, শঙ্কা সঙ্গে করে দেশ-বিদেশের বিপুলসংখ্যক মুসল্লি যোগ দিয়েছেন মুসলিম উম্মাহর দ্বিতীয় বৃহৎ এ ধর্মীয় আসরে। ইজতেমা সর্বাত্মকভাবে সফল করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সতর্ক নজরদারি ও প্রশাসনের তরফে নেওয়া হয়েছে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি। দুই পর্বের ইজতেমার প্রথম পর্বের আখেরি মোনাজাত রোববার।




