“প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এক বছর ভাল করেছি, আগামীতে আরো ভাল করে কাজ করব। সবাইকে তিনি ভাল করে কাজ করতেও বলেছেন।” গত বছরের ৫ জানুয়ারি বিএনপিহীন দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বর্ষপূর্তির দিনটিতে বিএনপি ‘গণতন্ত্র হত্যা দিবস’ এবং ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ ‘গণতন্ত্র রক্ষা দিবস’ হিসেবে পালনে কর্মসূচি ঘোষণা করে। এরই মধ্যে গুলশান কার্যালয়ে কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীতে আটকা পড়েছেন খালেদা জিয়া। ঢাকাসহ সারা দেশে সোমবার বিএনপির সমাবেশ কর্মসূচি রয়েছে। একই দিন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ রাজধানীর বিভিন্ন পয়েন্টে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। আর ঢাকা মহানগর পুলিশ রাজধানীতে সব ধরণের সভা-সমাবেশের উপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। তবে দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংসতা চলছে।
এসব বিষয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা হয়েছি কি না- জানতে চাইলে ওই সদস্য বলেন, “২/৩ জন সিনিয়র সদস্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেছেন। তবে কী নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা শুনিনি।” মন্ত্রিসভার ওই সদস্য বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী রিলাক্স মুডে ছিলেন। নির্বাচনের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে তিনি (প্রধানমন্ত্রী) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন, সেটাও বলেছেন।’
খালেদা জিয়া দুপুরের পর বের হওয়ার চেষ্টা করবেন বলে খবর আসলেও সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘তার কোথাও যেতে বাধা নেই। যত দিন প্রয়োজন ততদিন তার (খালেদা জিয়া) নিরাপত্তা দেওয়া হবে।’ ‘জামায়াতে ইসলামীর কিছু লোক খালেদা জিয়াকে হত্যা করবে, লন্ডনে এমন গুজব নিয়ে মন্ত্রিসভায় আলোচনা’র বিষয়ে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এক সাংবাদিকের প্রশ্নে বলেন, ‘জামায়াত কেন হত্যা করবে, এটা আমার জানা নেই, যারা বলেছেন তারাই ভাল বলতে পারবেন।’
আওয়ামী লীগ-বিএনপির কর্মসূচি ও পুলিশের নিষেধাজ্ঞার মধ্যে প্রশাসনের প্রাণকেন্দ্র সচিবালয়ে বাড়তি নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়। তবে সচিবালয়ের কর্মকাণ্ডে কোনো প্রভাব ফেলেনি। সচিবালয়ের সামনের আব্দুল গণি রোডের একাংশ, প্রেসক্লাব সংলগ্ন সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সচিবালয়ের সামনে বিপুল সংখ্যক আইন-শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। ভেতরেও বিভিন্ন পয়েন্টে সশস্ত্র পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে দেখা গেছে।




