নিহত শহিদুল ইসলামের বোন সুলতানা বেগম জানান, নগরীর স্টেশন রোডে আপনজন নামে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিক শহিদুল ইসলাম তিন মেয়ে ও এক ছেলের বাবা। শরিয়তপুর জেলার নাড়িয়া থানায় তাদের বাড়ি। নগরীর হালিশহর এলাকায় ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি। সুলতানা বলেন, অনেকদিন ধরেই ভাইয়া গাড়ি কিনবেন বলে আমাদের জানিয়েছিলেন। শুক্রবার সকালে নতুন গাড়িটি বাসায় নিয়ে আসে। তিনি বলেন, সকালে গাড়িটি পাওয়ার পর ভাইয়া ফোন করে বলেছিল ঘুরতে যাবে তাই রাফিকে যেন বাসায় পাঠাই। মামার নতুন গাড়ি কেনার খবর পেয়ে আনন্দিত রাফি মামার বাসায় চলে যায়। দুপুরে খাবারের পর তিন বন্ধুসহ বিকেল পাঁচটার দিকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। কিন্তু পথেই তাদের আনন্দ শেষ হয়ে যায়, বলেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সুলতানা। ইপিজেড থানার উপপরিদর্শক এরশাদ উল্লাহ বলেন, শহিদুল ইসলাম নিজের নতুন প্রাইভেট কার চালিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে যাচ্ছিলেন। সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজনের মৃত্যু হয়।
গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুইজনের মৃত্যু
নিজের পছন্দে একটি নতুন গাড়ি কেনার শখ বহুদিনের। সেই ইচ্ছা পূরণ হয়েছিল ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের। পছন্দের গাড়িটিও পৌঁছেছে শুক্রবার সকালে। নগরীর হালিশহর এলাকার বাসায় গাড়ির চাবি বুঝে পেয়ে উল্লসিত শহিদুল। তাই ভাগিনা রাফিসহ তিন বন্ধুকে নিয়ে বিকেলে আনন্দ ভ্রমণে বের হন। উদ্দেশ্যে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত। কিন্তু এই আনন্দ ভ্রমণই কাল হলো শহিদুল ইসলামের। বাসা থেকে গাড়ি নিয়ে বের হয়ে কিছুদূর যাওয়ার পরই গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারায়। সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় ল্যাম্পপোস্টের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় শহিদুল ইসলামের। সঙ্গে আরো একজন। আহত হয় আরো চারজন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নগরীর সিইপিজেড থানার সিমেন্ট ক্রসিং এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।



