সূত্র জানায়, বাংলাদেশ-চীন কূটনৈতিক সম্পর্কের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ২০১৫ সালে দুই দেশে বেশ কিছু কর্মসূচি পরিকল্পনা সম্পর্কিত বিষয় দুই দেশের মধ্যে আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। এছাড়া আঞ্চলিক যোগাযোগেও বিষয়টি গুরুত্ব পাবে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের এ বৈঠকে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত জুনে চীন সফরকালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী লি খছিয়াংকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। কূটনৈতিক সূত্র বলছে, কূটনৈতিক সম্পর্কের চার দশক পূর্তি অনুষ্ঠানে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি খছিয়াংয়ের ঢাকায় আসার সম্ভাবনা রয়েছে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঢাকা সফরে দেশটির প্রধানমন্ত্রী সম্ভাব্য ঢাকা সফর নিয়ে আলোচনা হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীন সফরকালে কয়েকটি চুক্তি সই করেন। সেসব বিষয়ের অগ্রগতি ও সম্ভাবনা নিয়ে দুদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা আলোচনা করবেন বলেও জানা গেছে। প্রধানমন্ত্রী তার চীন সফরে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তলদেশে টানেল নির্মাণ এবং বাংলাদেশে চীনের অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠায় সমঝোতা স্মারক সই করেন। এ সময় চীনের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলায় এক হাজার ৩২০ মেগাওয়াটের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে চুক্তি সই হয়। এছাড়া ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্যসেবা পৌঁছতে ইন্টারনেট সংযোগ প্রদান (ইনফো-সরকার, ফেজ-৩), রাজশাহীতে পানি শোধনাগার নির্মাণ, চট্টগ্রামের কালুরঘাটে রেলসেতু নির্মাণ, চট্টগ্রাম-রামু-কক্সবাজার, রামু-গুনধুম ডুয়েলগেজ রেললাইন স্থাপন এবং ইস্টার্ন রিফাইনারির দ্বিতীয় ইউনিট প্রতিষ্ঠায় চীনের সহযোগিতা কামনা করে বাংলাদেশ।




