এর মধ্য দিয়ে ট্রাইব্যুনাল থেকে আপিল বিভাগে আসা মানবতাবিরোধী অপরাধের দ্বিতীয় মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষিত হতে যাচ্ছে। এর আগে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আব্দুল কাদের মোল্লার আপিল মামলার ক্ষেত্রেও শুনানি শেষে গত বছরের ২৩ জুলাই রায় অপেক্ষাধীন রাখেন আপিল বিভাগ। পরে গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর যুদ্ধাপরাধের দায়ে ট্রাইব্যুনালের দেওয়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ বাড়িয়ে ফাঁসির আদেশ দেওয়া হয়। ৫ ডিসেম্বর পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশের পর ১২ ডিসেম্বর রাতে কাদের মোল্লার ফাঁসির রায় কার্যকর করা হয়েছে।
আপিল মামলার কার্যক্রম
গত ১৫ এপ্রিল মোট ৪৯ কার্যদিবসে শেষ হয় এ আপিল মামলার বিচারিক কার্যক্রম, যা শুরু হয় গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর। সাঈদীর পক্ষে তার প্রধান আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক ও অ্যাডভোকেট এএসএম শাহজাহান এবং রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম শুনানিতে অংশ নেন।
মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে গত বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি সাঈদীকে মৃত্যুদণ্ড দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১। এ রায়ের বিরুদ্ধে ২৮ মার্চ সাঈদী ও সরকারপক্ষ পৃথক দু’টি আপিল (আপিল নম্বর: ৩৯ ও ৪০) দাখিল করেন। ট্রাইব্যুনালের রায়ে সাজা ঘোষিত না হওয়া ৬টি অভিযোগে শাস্তির আর্জি জানিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ আর সাঈদীর ফাঁসির আদেশ থেকে খালাস চেয়ে আসামিপক্ষ আপিল করেন।




