সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনককটেলে স্কুলছাত্রীর চোখে জখম : জামায়াত-শিবিরের ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

ককটেলে স্কুলছাত্রীর চোখে জখম : জামায়াত-শিবিরের ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র

চট্টগ্রাম নগরের অপর্ণাচরণ সিটি করপোরেশন বালিকা বিদ্যালয়ের ছাত্রী অন্তু বড়ুয়ার ওপর ককটেল হামলার ঘটনায় জামায়াত ও ছাত্রশিবিরের ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চট্টগ্রাম আদালতের নিবন্ধন শাখায় অভিযোগপত্রটি দেয় নগরের কোতোয়ালি থানার পুলিশ। মামলার অভিযোগপত্রে নগর শিবিরের সভাপতি আ ন ম মশরুর হোসাইনসহ জামায়াত-শিবিরের ১৩ জনকে আসামি করা হয়েছে।

নগর পুলিশের সহকারী কমিশনার (প্রসিকিউশন) নির্মলেন্দু বিকাশ চক্রবর্তী  জানান, অভিযোগপত্রটি নিবন্ধন শাখায় জমা দিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা। পরে মহানগর হাকিমের কাছে এটি উপস্থাপন করা হবে। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নগরের কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. কামরুজ্জামান বলেন, ভিডিও ফুটেজ, গ্রেপ্তার আসামির স্বীকারোক্তি ও তদন্তে ১৩ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অভিযোগপত্রে ১৭ জনকে সাক্ষী রাখা হয়েছে।

অভিযুক্ত ১৩ আসামি হলেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রশিবিরের সভাপতি আ ন ম মশরুর হোসাইন, দক্ষিণ জেলা জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা ফেরদৌস কোরেশী, কোতোয়ালি থানা জামায়াতের আমির ফয়সাল মোহাম্মদ ইউনুছ, দক্ষিণ জেলা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল তারেক হোসাইন, মহানগর উত্তরের সভাপতি নুরুল আমিন, মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক সোহেল রানা, ছাত্রশিবিরের সাথি আলতাফ হোসেন, আ ন ম হারুন, দেলোয়ার হোসেন, মঞ্জুর আলম, কফিল উদ্দিন, মিজানুর রহমান ও আমজাদ আলী।

এঁদের মধ্যে আমজাদ আলী আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। অভিযুক্ত আসামিদের মধ্যে নগর শিবিরের সভাপতি আ ন ম মশরুর হোসাইন ও আ ন ম হারুন পলাতক রয়েছেন। সম্প্রতি জামিনে আছেন নুরুল আমিন। অন্যরা কারাগারে রয়েছেন। তদন্ত কর্মকর্তা অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন, আসামিরা পূর্বপরিকল্পিতভাবে হরতাল চলাকালে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করতে ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটান। গ্রেপ্তার আসামি আমজাদ আলী তাঁর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতেও ঘটনার দায় স্বীকার করেন। তদন্তে সত্যতা না পাওয়ায় মহিউদ্দিন ও জালালকে অব্যাহিত দেওয়ার আবেদন করা হয় অভিযোগপত্রে।

২০১৩ সালের ২৮ মার্চ ১৮-দলীয় জোটের হরতাল চলাকালে মিছিল থেকে ছোড়া ককটেলে আহত হয় স্কুলশিক্ষার্থী অন্তু বড়ুয়া। মায়ের সঙ্গে কোচিং সেন্টারে যাওয়ার পথে নগরের মোমিন রোডে চোখে আঘাত পায় অন্তু। পরদিন ২৯ মার্চ কোতোয়ালি থানার এসআই জাফর ইকবাল বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় আটজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৩০-৪০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ