মামলার এজহার থেকে জানা যায়, অ্যাডফ্লেমের প্যারাসিটামলে বিষাক্ত উপাদান থাকায় বহু শিশু কিডনি সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। তাদের মধ্যে অন্তত ৭৬ জনের মৃত্যু হয়। ১৯৯৩ সালে অ্যাডফ্লেম ফার্মাসিউটিক্যালসের প্যারাসিটামল সিরাপে ডাই-ইথিলিন গ্লাইকলের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এ ঘটনায় ১৯৯৩ সালের ১৯৯২ সালের ১৯ ডিসেম্বর ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের পরিদর্শক আবুল খায়ের চৌধুরী বাদী হয়ে আটজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
পরে ১৯৯৪ সালের ২৮ মে পাঁচজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখির করা হয়। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯১ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে ভেজাল ওষুধ খেয়ে কিডনি অকোজো হয়ে প্রায় ২ হাজার ৭০০ শিশুর মৃত্যু ঘটে। এ মামলার আসামিরা হলেন, কোম্পানির ব্যবস্থাপক ডা. মিজানুর রহমান, পরিচালক ডা. হেলেন পাশা, অন্যতম মালিক আজফার পাশা(পলাতক), মান নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. নোমান (পলাতক) ও নৃগেন্দ্র নাথ বালা (পলাতক)।




