ড. হাছান মাহমুদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালে নির্বাচন হবে। এই নির্বাচনকালীন অন্তবর্তী সরকারের প্রধান থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার অধীনেই নির্বাচন হবে। দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ বিএনপির সঙ্গে রয়েছে খালেদা জিয়ার এমন দাবির জবাবে তিনি বলেন, খালেদা জিয়া মানসিকভাবে সুস্থ হলে এমন দাবি করতেন না। দেশের ৯৫ ভাগ মানুষ নয়, ৯৫ ভাগ নৈরাজ্যকারী, অগ্নিসংযোগকারী, জঙ্গিবাদী এবং বোমাবাজ তাদের সঙ্গে রয়েছে।
তিনি বলেন, টানা দ্বিতীয়বার সরকার গঠন করার সুবাদে আওয়ামী লীগ ও ১৪ দলীয় জোটে কিছু সুযোগ সন্ধানী অনুপ্রবেশকারী ঢুকে পড়েছে। তাদের সম্পর্কে সজাগ থাকতে হবে। আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে এই নেতা বলেন, যারা নৈরাজ্য তৈরি করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলে জনগণের পাশে দাঁড়াতে হবে। সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, মানুষ উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন যান। আর বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান উন্নত চিকিৎসার জন্য মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন। শুধু তারেক রহমানই নয়, বিএনপির চেয়ারপার্সনসহ তাদের সিনিয়র নেতাদেরও মানসিক চিকিৎসার প্রয়োজন। কেন না তারা মানসিকভাবে অসুস্থ হযে পড়লে দেশের রাজনীতিও অসুস্থ হয়ে পড়বে।
সংগঠনের সভাপতি চিত্তরঞ্জন দাসের সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের কার্যকরী নির্বাহী কমিটির সদস্য সুজিত রায় নন্দী, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, নারী সাংসদ সানজিদা খানম, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শাবান মাহমুদ, আওয়ামী লীগের উপ কমিটির সহ-সম্পাদক বলরাম পোদ্দার প্রমুখ।




