মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়বিএনপির লংমার্চ ঘিরে আবার রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াচ্ছে

বিএনপির লংমার্চ ঘিরে আবার রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াচ্ছে

বিএনপির লংমার্চ ঘিরে আবার রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়াচ্ছে। সরকার বিরোধী পক্ষ এই লংমার্চকে নিয়েছে জনগণের কাছে সরকারের বিরুদ্ধে জনমত তৈরির এক কৌশল হিসেবে। বিরোধী দলের নেতারা বলছেন, এই লংমার্চের মাধ্যমে সরকারের আসল চেহারা জনগণের কাছে তুলে ধরা হবে। পাশাপাশি উজ্জীবিত হয়ে উঠেব একতরফা দশম সংসদ নির্বাচনের পর অনেকটা নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়ে বিএনপির নেতৃত্বে বিরোধী জোট।
আগামীকাল মঙ্গলবার তিস্তা ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে দলটি। এরই মধ্যে তিস্তা-মার্চ কর্মসূচি শেষ করেছে বামপন্থি দল সিপিবি ও বাসদ। সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে জামায়াতে ইসলামীও। এ দলগুলোর কর্মসূচিগুলো শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়। সরকার কোনো বাধা দেয়নি; কিন্তু বিএনপির লংমার্চ নির্বিঘ্নে করা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করছেন দলের নেতারা। তাদের আশঙ্কা, সরকার এ কর্মসূচি পালন করতে দেবে না।
এ জন্য লংমার্চে বাধা না দিতে সরকারকে সতর্ক করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। শনিবার শ্রমিক দলের কাউন্সিলে তিনি বলেন, এটা গণতান্ত্রিক কর্মসূচি। এতে বাধা দিলে লড়াই ছাড়া আমাদের কোনো পথ থাকবে না। এ কর্মসূচিতে বাধা দিলে আমরা প্রতিরোধ গড়ে তুলব।
বিএনপির লংমার্চে বাধা দেবে না আওয়ামী লীগ। তবে লংমার্চের নামে সহিংস ঘটনার অপচেষ্টা হলে সরকার কঠোরভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করবে। প্রয়োজনে গ্রেপ্তার অভিযান চালানো হবে। সে সঙ্গে লংমার্চ রুটে সতর্ক অবস্থায় থাকবেন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম জানিয়েছেন, শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিকে সব সময়ই স্বাগত জানায় আওয়ামী লীগ। তাই লংমার্চে বাধা দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। তবে লংমার্চের নামে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বিএনপির লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে রবিবার সন্ধ্যার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে আওয়ামী লীগ এবং কেন্দ্রীয় ১৪ দলের কয়েকজন নেতার সঙ্গে অনানুষ্ঠানিক কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম। এ সময় নেতারা লংমার্চ নিয়ে সর্বশেষ পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছেন।
এ সময় আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, উপদফতর সম্পাদক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস, জাসদের স্থায়ী কমিটির সদস্য শিরীন আখতার, গণতন্ত্রী পার্টির সাধারণ সম্পাদক নুরুর রহমান সেলিম, ন্যাপের সহসাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পরে লংমার্চ কর্মসূচি পর্যবেক্ষণ করতে ২২ এপ্রিল দুপুর ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর ধানমণ্ডির কার্যালয়ে কেন্দ্রীয় ১৪ দলের বৈঠক ডাকার সিদ্ধান্ত হয়েছে। মোহাম্মদ নাসিম এ বৈঠকে উপস্থিত থাকার জন্য নেতাদের অনুরোধ করেছেন বলে ১৪ দলের দফতর সমন্বয়ক অ্যাডভোকেট মৃণাল কান্তি দাস এমপি জানিয়েছেন।
তবে রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে বিএনপি হঠাৎ করেই লংমার্চ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বলে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা মনে করছেন। তাদের ভাষায়, ক্ষমতায় থাকলেও তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের বিষয়ে কোনো ভূমিকাই নেয়নি বিএনপি। এখন তাদের দরদ উথলে উঠেছে। আসলে লংমার্চের পেছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে। এ কারণেই তিস্তা অভিমুখে বিএনপির লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে বেশ সতর্ক আওয়ামী লীগ। সরকারের পক্ষ থেকে পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও তৎপর। সরকারি দলের নেতারা সার্বিক পরিস্থিতির চুলচেরা বিচার-বিশ্লেষণ করছেন। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও কথা বলেছেন নেতারা।
এ অবস্থায় লংমার্চ কর্মসূচি নিয়ে সরকারের সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত হয়নি। আজ সোমবারের মধ্যে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা। তবে লংমার্চ কর্মসূচির অনুমতি নিয়ে আওয়ামী লীগের ভেতরে ভিন্নমত রয়েছে। এক পক্ষ বিএনপিকে লংমার্চ করতে দেওয়ার পক্ষে। আরেক পক্ষ সহিংসতার আশঙ্কায় লংমার্চ কর্মসূচি করতে দেওয়ার বিপক্ষে। খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেছেন, তিস্তা অভিমুখে লংমার্চের নামে কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করা হলে তার পরিণাম হবে ভয়াবহ। তার বক্তব্য, তিস্তার উদ্দেশে লংমার্চে আপত্তি নেই। কিন্তু সন্ত্রাস কিংবা নৈরাজ্য করা যাবে না।
এদিকে, মহাজোটের শরিক ওয়ার্কার্স পাটির সভাপতি ও বিমানমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন তিস্তাসহ অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্যা হিস্যার দাবিতে বিএনপি আহূত লংমার্চ কর্মসূচির সমালোচনা করে বলেছেন, বিএনপি তিস্তা নিয়ে রাজনীতি করছে। তারা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকলেও তখন তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা নিয়ে কোনো কথা বলেননি।
এদিকে লংমার্চ সফল করা নিয়ে ভালই প্রস্তুতি নিয়েছে বিএনপি। দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে লংমার্চ কর্মসূচি হবে শান্তিপূর্ণ। তারা আশা করেন, সরকার কর্মসূচিতে বাধা দেবে না। বাধা দিলে সরকার ভুল করবে। তারা সব বাধা প্রতিহত করে কর্মসূচি সফল করবেন। বিএনপির লংমার্চে পুলিশের অনুমতির বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের অন্যতম মুখপাত্র ও গণমাধ্যম শাখার উপকমিশনার মাসুদুর রহমান বলেন, অনুমতির বিষয়ে এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। বিস্তারিত খোঁজ নিয়ে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এদিকে, পুলিশের অন্য এক কর্মকর্তা বলেন, বিএনপির কর্মসূচির বিষয়ে পুলিশ খোঁজ নিচ্ছে। লংমার্চের নামে গাড়ির মার্চ করা হলে কোনোভাবেই অনুমতি দেওয়া হবে না।
অবশ্য বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ঢাকায় আমরা কোনো সমাবেশ করব না। শুধু নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে তিস্তা ব্যারাজ অভিমুখে শান্তিপূর্ণ লংমার্চ করব। ঢাকায় সমাবেশ হবে না বলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অনুমতির প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেন তিনি।
মূলত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছে বিএনপি-জামায়াত। এই দাবিতে গত ৫ জানুয়ারির বিতর্কিত নির্বাচন বয়কট করে তারা। কিন্তু নির্বাচনের পর পরিবর্তিত প্রেক্ষাপটে তারা উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেয়। তাদের সাফল্য ছিল উল্লেখযোগ্য। এখন দল দুটি কর্মসূচি দিয়ে রাজনীতির মাঠে আবার নামতে চায় বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
জানা যায়, তিস্তা ব্যারাজ অভিমুখে লংমার্চকে এ মুহূর্তে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি। ৫ জানুয়ারির ‘একতরফা’ নির্বাচনের পর আন্দোলন থেকে দূরে থাকা দলটি এ কর্মসূচির মাধ্যমে গণমানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততা বাড়াতে চায়। গতকাল রবিবার বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী লংমার্চে বাধা না দিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এতে বাধা দিলে সরকারকে জাতীয় শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করা হবে। দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলো থেকে ভারতের একতরফাভাবে পানি প্রত্যাহার আর মেনে নেওয়া হবে না।
বিএনপির কয়েক নেতা  বলেন, নির্দলীয় সরকারের দাবিতে আগামী দিনের রাজপথের আন্দোলনের ‘টার্নিং পয়েন্ট’ হিসেবে এ কর্মসূচিকে দেখছি আমরা। এ লক্ষ্যে লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। ঢাকা থেকে নীলফামারী অভিমুখে লংমার্চের যাত্রাপথের সব জেলার সর্বস্তরের নেতাকমী-সমর্থককে এ কর্মসূচিতে শামিল করতে ব্যাপকভাবে চেষ্টা চালানো হচ্ছে। রাজধানীতেও চলছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনগুলোর কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতাদের দফায় দফায় প্রস্তুতি বৈঠক।
কাল সকালে নয়াপল্টনে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে সমবেত হয়ে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বে লংমার্চ শুরু হবে। কর্মসূচি সফল করতে রাজপথে প্রচারপত্র বিতরণ করছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। শনিবার দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এম কে আনোয়ার নয়াপল্টন এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করেন।
দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীসহ নেতাকর্মীরা এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন। এ সময় এম কে আনোয়ার সাংবাদিকদের বলেন, লংমার্চ জাতীয় স্বার্থে করা হচ্ছে। সরকার এতে বাধা দিলে জনগণই তাদের প্রতিরোধ করবে। রবিবার বিকেলে রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোড এলাকায় প্রচারপত্র বিতরণ করেন রুহুল কবির রিজভী। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন আলম, নির্বাহী কমিটির সদস্য বেলাল আহমেদ, জাসাসের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ।
দলীয় ফোরামে বৈঠকের মাধ্যমেও লংমার্চ সফল করার কৌশল নির্ধারণ করা হচ্ছে। জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের জাতীয় কাউন্সিলে আসা উত্তরবঙ্গের নেতাকর্মীদের লংমার্চে শামিল হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শনিবার ও রোববার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এ কাউন্সিল হয়। কাউন্সিলের প্রথম দিনে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপস্থিতিতে শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম খান এ নির্দেশ দেন।
এ ছাড়া বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও ঢাকা মহানগর শাখার আহ্বায়ক সাদেক হোসেন খোকার সভাপতিত্বে মহানগরের যৌথ সভা হয়েছে শনিবার। লংমার্চ সফল করতে ডাকা এ সভায় নানা কৌশল নির্ধারণ করা হয়।
বৃহস্পতিবার রাতে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৯ দলীয় জোটের বৈঠকে জোটের শরিকরা বিএনপির এ কর্মসূচিতে পূর্ণ সমর্থন জানান। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সভাপতিত্বে তার গুলশান কার্যালয়ে এ বৈঠক হয়। এ সময় খালেদা জিয়া শরিকদের বলেন, তারা ইচ্ছা করলে এতে অংশ নিতে পারেন। জোট শরিক নেতারা এ সময় বলেন, খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে এ কর্মসূচি পালিত হলে আরও কার্যকর হতো।
তবে বিএনপি নেত্রী জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের নেতৃত্বেই এ লংমার্চ করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এটা এভাবেই হবে। তবে তিনি শিগগিরই নীলফামারীতে এক জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। এ প্রেক্ষাপটে জোট শরিকরা বিএনপির লংমার্চ কর্মসূচি সফল করতে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করবেন বলে জানান।
সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন চলা জামায়াত কেন্দ্রীয়ভাবে এ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার ব্যাপারে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। অবশ্য স্থানীয়ভাবে নেতাকর্মীরা অংশ নিলে কেন্দ্রের কোনো আপত্তি নেই বলে জানিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে স্থানীয়ভাবে জামায়াতসহ ১৯ দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা অংশ নিতে পারেন।লংমার্চ তিস্তায় যাওয়ার আগে পাঁচ স্থানে পথসভা করবে বিএনপি। রোববার দুপুরে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান দলের যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রিজভী জানান, ২২ এপ্রিল সকাল ৮টায় নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের নেতৃত্বে মার্চের যাত্রা শুরু হবে। লংমার্চে যাওয়ার পথে গাজীপুরের কালিয়াকৈর, টাঙ্গাইল, সিরাজগঞ্জ ও বগুড়ায় পথসভা হবে। রংপুরে রাতযাপন শেষে বুধবার সকালে সেখানে একটি পথসভা হবে। পরে রংপুর থেকে তিস্তা অভিমুখে ফের যাত্রা শুরু করবে লংমার্চ। নীলফামারীর ডালিয়ায় সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হবে কর্মসূচি।
লংমার্চ শেষে তিস্তা ব্যারাজের সমাবেশে বিপুলসংখ্যক লোকসমাগম ঘটাতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে উত্তরাঞ্চলের আট জেলা বিএনপি। জেলাগুলো হচ্ছে নীলফামারী, লালমনিরহাট, রংপুর, কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, ঠাকুরগাঁও, দিনাজপুর ও গাইবান্ধা। জেলাগুলো থেকে কমপক্ষে চার লাখ মানুষের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে দফায় দফায় নেতাকর্মীদের সঙ্গে বৈঠক করছেন রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি জানান, কর্মসূচি সফল করতে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া পড়েছে।
আরও পড়ুন

সর্বশেষ