বাজেটে দেশে পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার প্রসারে এবং জ্বালানি নির্ভর পরিবহনের বিকল্প হিসেবে ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার বাড়াতে এ খাতে ক্যাটাগরি অনুযায়ী আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা, শুল্ক-কর ছাড়, অব্যাহতি এবং মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে। এমনকি চার্জিং স্টেশনে শুল্ক একলাফে শূন্যে আনার প্রস্তাবনাও করা হয়েছে।
সংসদে অর্থমন্ত্রী, দেশে চার চাকা ও তিন চাকার বিদ্যুৎচালিত যানবাহনের বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং এবং এসেম্বলিংয়ের কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানিতে মাত্র ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া অন্য সব প্রকার শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করেন।
প্রস্তাবনায় স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের কাঁচামাল ও উপকরণ আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশের অতিরিক্ত ভ্যাট এবং অন্য সব প্রকার শুল্ক-করাদি হতে সম্পূর্ণ অব্যাহতি প্রদানের বিষয় উল্লেখ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই খাতকে টেকসই ভিত্তি দিতে উপরোক্ত সব রেয়াতি সুবিধা ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়াও ইলেকট্রিক গাড়ির নির্বিঘ্ন চলাচল নিশ্চিত করতে চার্জিং স্টেশন ও ইলেকট্রিক গাড়ির চার্জার আমদানির ক্ষেত্রে বিদ্যমান মোট করভার ৩৯.৭৫ শতাংশ হতে হ্রাস করে সরাসরি শূন্য (০) শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।




