ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চট্টগ্রামের ১৬টি আসনের মধ্যে ১৪টিতে বিএনপির প্রার্থীরা জয়ী হয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১ (মীরসরাই) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী নুরুল আমিন জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ছাইফুর রহমান।
চট্টগ্রাম-২ (ফটিকছড়ি) আসনে আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর জয়ী হয়েছেন।
তবে উচ্চ আদালতের নির্দেশে তাঁর ফলাফল প্রকাশ স্থগিত থাকবে। তিনি জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের নুরুল আমিনকে পরাজিত করেন।
চট্টগ্রাম-৩ (সন্দ্বীপ) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোস্তফা কামাল পাশা। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের মুহাম্মদ আলাউদ্দিন সিকদার।
চট্টগ্রাম-৪ (সীতাকুণ্ড) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আসলাম চৌধুরী বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন, আদালতের আদেশে তাঁর ফলাফলও স্থগিত রেখেছে নির্বাচন কমিশন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের আনোয়ার ছিদ্দিক।
চট্টগ্রাম-৫ (হাটহাজারী) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির।
হাটহাজারী উপজেলা ও বায়েজিদ আংশিক সংসদীয় আসনের ১৪৩টি ভোট কেন্দ্রে ব্যারিস্টার মীর হেলাল পেয়েছেন ১ লাখ ৪৩ হাজার ৯৬৫ ভোট। মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনির পেয়েছেন ৪৪ হাজার ভোট।
চট্টগ্রাম-৬ (রাউজান) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন মোমবাতি প্রতীকের ইলিয়াস নুরী।
চট্টগ্রাম-৭ (রাঙ্গুনিয়া) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী হুমাম কাদের চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের ডা. এটিএম রেজাউল করিম।
চট্টগ্রাম-৮ (বোয়ালখালী-চান্দগাঁও) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ জয়ী হয়েছেন।
তিনি তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বলেন, নদীর ওপারে অন্ধকার, এদিকে আলো। আমি বোয়ালখালীকে আলোকিত করতে চাই। কালুরঘাট সেতু করতে হবে। নগর অংশে জলাবদ্ধতা নিরসন করতে হবে। জলাবদ্ধতার কারণে জানমালের ক্ষতি হয়। চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ২০০৩ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ঘোষণা করেছিলেন। এটি বাস্তবায়ন করবে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক রাজধানী করার ঘোষণা দিয়েছেন। চট্টগ্রামে ব্যবসার প্রাণকেন্দ্রে এখন প্রাণ নেই। প্রাণ ফিরিয়ে আনতে হবে। বন্দর বাংলাদেশের সম্পদ। বন্দরকে কাজে লাগিয়ে অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে হবে।
চট্টগ্রাম-৯ (কোতোয়ালী) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আবু সুফিয়ান জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ডা. একেএম ফজলুল হক।
চট্টগ্রাম-১০ (পাঁচলাইশ, ডবলমুরিং, পাহাড়তলী) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সাঈদ আল নোমান জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী।
চট্টগ্রাম-১১ (বন্দর) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শফিউল আলম।
চট্টগ্রাম-১২ (পটিয়া) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী এনামুল হক এনাম জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মোমবাতি প্রতীকের সৈয়দ এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু।
চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী সরওয়ার জামাল নিজাম জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বৃহত্তর সুন্নি জোটের প্রার্থী এস এম শাহাজান।
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ) আসনে বিএনপির বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী জসিম উদ্দিন আহমেদ ৭৬ হাজার ৪৯৩ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন এলডিপির ছাতা প্রতীকের প্রার্থী ওমর ফারুক পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৪৬৭ ভোট।
চট্টগ্রাম-১৫ (সাতকানিয়া-লোহাগাড়া) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী জয়ী হয়েছেন। তিনি বিএনপির নাজমুল মোস্তফা আমিনকে পরাজিত করেন।
চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম জয়ী হয়েছেন।




