বৃহস্পতিবার, ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনআপসহীনতার জায়গাতেই খালেদা জিয়া অন্যদের চেয়ে আলাদা : আমীর খসরু

আপসহীনতার জায়গাতেই খালেদা জিয়া অন্যদের চেয়ে আলাদা : আমীর খসরু

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও আপসহীনতাকে বিশ্ব নেতৃত্বের সঙ্গে তুলনা করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, কালোদের মুক্তির জন্য মার্টিন লুথার কিং অনেক প্রেসার থাকার পরও এক মুহূর্তের জন্য কম্প্রোমাইজ করেননি। অধিকার আদায়ের জন্য তাঁর জীবন দিয়ে আপসহীনভাবে চলে গেছেন। আরেকজন হচ্ছেন নেলসন ম্যান্ডেলা; দীর্ঘ সময় জেলে থেকে নির্যাতিত হয়েও আপস করেননি। মার্টিন লুথার কিং ও নেলসন ম্যান্ডেলার মতো নেতারা যেভাবে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আপসহীন ছিলেন, বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগও সেই উচ্চতায় পৌঁছেছে। আমরা তাঁর জীবদ্দশায় সেই ত্যাগের গভীরতা পুরোপুরি উপলব্ধি করতে না পারলেও তাঁর মৃত্যুর পর বুঝতে পেরেছি তিনি কতটা গভীরভাবে বাংলাদেশের মানুষের মনোজগতে জায়গা করে নিয়েছেন।

শনিবার বিকালে নগরের কাজীর দেউড়ি সংলগ্ন ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন হলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোকসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বেগম খালেদা জিয়ার কর্মময় রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা গোলাম আকবর খোন্দকার, ড. সুকোমল বড়ুয়া ও এস এম ফজলুল হক, দৈনিক আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজিব রঞ্জন। নাগরিক শোকসভার আগে বাদে জোহর কোরানখানি, দোয়া মাহফিল ও বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ রাজনৈতিক বিশেষ প্রেক্ষাপটে হাউজওয়াইফ বেগম জিয়ার রাজনীতিতে আগমন। তিনি ছিলেন আপসহীন রাজনীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত। একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাজনীতিতে এসে তিনি তাঁর জীবনের অধিকাংশ সময় ক্ষমতার বাইরে থেকেও আন্দোলনের মধ্যদিয়ে কাটিয়েছেন। রাজনৈতিক জীবনের তিন চতুর্থাংশ সময় আন্দোলনের মধ্যে কাটিয়েছেন। মাত্র ১০–১১ বছর ক্ষমতায় থাকলেও প্রায় ৩০ বছর তিনি আপসহীনভাবে গণতন্ত্রের পক্ষে রাজপথে সংগ্রাম চালিয়ে গেছেন। কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতায় যখন অনেকে আপস করেছেন কিংবা চাপ নিতে না পেরে সরে দাঁড়িয়েছেন, তখন বেগম খালেদা জিয়া শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত এক মুহূর্তের জন্যও আপস করেননি। এই জায়গাতেই তিনি অন্যদের থেকে আলাদা।

তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া তাঁর সারাজীবনের ত্যাগের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যে মশাল জ্বালিয়ে গেছেন, সেই মশাল এখন তারেক রহমানের হাতে তুলে দিয়ে গেছেন। এই মশাল অত্যন্ত মূল্যবান, যা আমাদের সবাইকে বহন করতে হবে।

আমীর খসরু বলেন, আগামীর বাংলাদেশে গণতন্ত্রের লড়াই শেষ হয়নি। আমাদের শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে হবে। সামনে ১২ তারিখ নির্বাচন রয়েছে। নির্বাচন–পরবর্তী গণতন্ত্র চর্চার লড়াই আরো কঠিন হতে পারে। আমরা ভাবতে পারি, নির্বাচনের পর জীবন সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু জীবন সহজ হবে না, মোটেও সহজ হবে না। গণতন্ত্রের লড়াই এখানেই শেষ নয়। নির্বাচন–পরবর্তী সময় আরো কঠিন হতে পারে। তাই সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ ধারণ করে গণতন্ত্র রক্ষায় শেষ পর্যন্ত লড়ে যেতে হবে।

গোলাম আকবর খোন্দকার বলেন, বেগম খালেদা জিয়া শুধু বিএনপির নেত্রী ছিলেন না, প্রকৃত অর্থে তিনি দেশের জনগণের নেতা ছিলেন। বেগম জিয়ার নামাজে জানাজায় অংশ নেওয়া সর্বস্তরের জনগণের উপস্থিতিই এটি প্রমাণ করে। দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষা করতে গিয়ে স্বৈরশাসকের মিথ্যা মামলায় জুলুম নির্যাতনের শিকার হলেও তিনি ছিলেন আপসহীন। গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর সংগ্রামী মনোভাবের জন্যই তিনি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।

এস এম ফজলুল হক বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন মানবতার প্রতীক। তিনি দেশের মানুষের কষ্টকে নিজের কষ্ট মনে করতেন। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি দেশের বাইরে না গিয়ে এই দেশের মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি আজীবন অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন এবং দেশের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল প্রশ্নাতীত।

ড. সুকোমল বড়ুয়া বলেন, বেগম খালেদা জিয়া কোনো নির্দিষ্ট দলের নেত্রী ছিলেন না, তিনি ছিলেন বাংলাদেশের সম্পদ। তিনি রাজনৈতিক জীবনে নেতাকর্মীদের সঙ্গে সবসময় মানবিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ করেছেন। বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন ১৮ কোটি জনগণের নেত্রী।

আজাদী সম্পাদক এম এ মালেক বলেন, আমরা যদি বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকাই, আমরা দেখি, বেগম খালেদা জিয়া এমন একজন নেত্রী, যাঁর জীবন ও আপসহীন সংগ্রাম কোটি মানুষকে স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে, অধিকার নিয়ে ভাবতে শিখিয়েছে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর সাহস জুগিয়েছে। ক্ষমতার মোহ, ভয় কিংবা চাপ কোনো কিছুর কাছেই তিনি নীতির প্রশ্নে আপস করেননি।

তিনি বলেন, আমি কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নই। কোনো রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্তও নই। আমি আজ এখানে এসেছি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে। এসেছি নিজের দায়িত্ববোধ থেকে একজন মহান নেত্রীর প্রতি আমার শ্রদ্ধা জানাতে। আমি বিশ্বাস করি, বেগম খালেদা জিয়া শুধু একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী নন, তিনি এ দেশের নেতৃত্বের প্রতীক।

প্রখ্যাত চিন্তাবিদ জন সি ম্যাঙওয়েলের ‘নেতা বা নেত্রী হলেন সেই ব্যক্তি যিনি পথ জানেন, নিজে সেই পথে চলেন এবং অন্যদেরও সেই পথ দেখান’ উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্ব ঠিক এই কথারই প্রকৃষ্ট উদাহরণ। তিনি শুধু গণতন্ত্রের কথা বলেননি, গণতন্ত্রের পথে নিজে হেঁটেছেন। তিনি শুধু সংগ্রামের ডাক দেননি, নিজেই সেই সংগ্রামের অগ্রভাগে দাঁড়িয়েছেন। বারবার নির্যাতন, কারাবরণ ও অসুস্থতার মধ্যেও তিনি মাথা নত করেননি। দেশ, দেশের মাটি, দেশের আপামর মানুষের মর্যাদার প্রশ্নে, স্বার্থের প্রশ্নে অটল, অবিচল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। তিনি সেই নেত্রী, যিনি দেশের স্বার্থকে বড় করে দেখেছেন। তাই তো তিনি বলতে পেরেছেন, এই দেশ, এই দেশের মাটি–মানুষই আমার সবকিছু। বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই।

তিনি বলেন, চট্টগ্রামের সঙ্গে বেগম জিয়ার এক অবিচ্ছেদ্য সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তাঁর আবেগের একটি বড় অংশজুড়ে রয়েছে চট্টগ্রাম। তিনি ১৯৯২ সালে এই শহরকে দেশের ‘বাণিজ্যিক রাজধানী’ হিসেবে ঘোষণা দিয়েছিলেন। চট্টগ্রামের অর্থনৈতিক গুরুত্বকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিলেন। এখান থেকেই তিনি ‘দেশনেত্রী’ উপাধিতে ভূষিত হন। চট্টগ্রামের প্রতিটি আন্দোলন–সংগ্রামে তাঁর সক্রিয় সমর্থন ছিল। তাঁর মৃত্যু আমাদের শোকাহত করেছে। কিন্তু তাঁর রেখে যাওয়া মূল্যবোধ, আদর্শ যুগে যুগে এদেশের মানুষকে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার প্রেরণা যোগাবে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, দেশকে এগিয়ে নিতে হলে বেগম খালেদা জিয়ার দেখানো পথেই চলতে হবে। গণতন্ত্র, আইনের শাসন, ন্যায়বিচার ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধ যে অপরিহার্য তিনি তা কর্ম ও উদাহরণ দিয়ে দেখিয়েছেন।

মেয়র বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দেশের মানুষের হৃদয়ের নেত্রী। তিনি বাংলাদেশকে শুধু ভালোবাসেননি, বাংলাদেশকে নিজের জীবনের অংশ করে নিয়েছিলেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে দেশ ত্যাগ না করে তিনি বলেছিলেন, ‘বাঁচতে হলে বাংলাদেশে বাঁচব, মরতেও হলে বাংলাদেশেই মরব’। এই কথাটাই প্রমাণ করে তাঁর দেশপ্রেম কতটা গভীর ও আন্তরিক ছিল।

ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জন বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন দৃঢ় সংকল্প ও বিশ্বাসের এক বিরল নেতৃত্বের অধিকারী। বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার গৌরব তাঁরই ছিল। তিনি ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা। এই দেশের প্রতি তাঁর সেবা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও প্রগতিশীল আদর্শের প্রতি তাঁর অঙ্গীকার, পাশাপাশি ভারত–বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে তাঁর উল্লেখযোগ্য অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার প্রয়াণে এক অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে। তবে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি ও উত্তরাধিকার চিরস্থায়ী হয়ে থাকবে। তিনি যে মূল্যবোধ ও কৌশলগত ভিত্তি গড়ে গেছেন, তা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক অংশীদারিত্বকে আরো সমৃদ্ধ করতে ভবিষ্যৎ যৌথ প্রচেষ্টার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে থাকবে।

চট্টগ্রাম–৯ আসনের বিএনপি প্রার্থী আবু সুফিয়ান বলেন, আমরা গর্ববোধ করি, মাথা উঁচু করে বলতে পারি, আমাদের নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একজন আপসহীন নেত্রী ছিলেন। তিনি গণতন্ত্রের জন্য ও মানুষের অধিকারের জন্য আপসহীনভাবে সংগ্রাম করে গেছেন। মৃত্যুকে আলিঙ্গন করেছেন কিন্তু স্বৈরাচারে সাথে আপস করেন না।

চট্টগ্রাম–৫ আসনের বিএনপি প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, অসুস্থ থাকা অবস্থায়ও দেশনেত্রী দেশের এবং দেশের মানুষের কথা ভেবেছেন। উনি ছিলেন অপরাজেয়। সারাজীবন দেশের এবং দেশের মানুষের জন্য সংগ্রাম করে গেছেন।

চট্টগ্রাম–১০ আসনের বিএনপি প্রার্থী সাঈদ আল নোমান বলেন, দেশনেত্রী ছিলেন ১৮ কোটি মানুষের নেত্রী। সেটা তার জানাজায় দেশবাসী বুঝিয়ে দিয়েছে। তিনি বলেন, ম্যাডাম কখনো আপস করেনননি। আমরা অনেক সময় কৌশলের নামে আপস করে ফেলি। কিন্তু ন্যায়ের পথে নিজের ক্ষতি হলেও আপস করা উচিত নয়–সেটাই ম্যাডামের জীবন থেকে শিক্ষা নেয়া উচিত।

নগর বিএনপির সদস্যসচিব নাজিমুর রহমান বলেন, দেশনেত্রী সমালোচনা হজম করতেন, কারো সমালোচনা করতেন না। একজন মানুষ ন্যায়, নিষ্ঠা ও সততার সাথে নিজের জীবন পরিচালনা করলে মৃত্যুর পর তার প্রতিদান মানুষ দেবেন, আল্লাহ দেবেন। সেটা দেশনেত্রীর মৃত্যুর পর জানাজায় আমরা দেখেছি।

তুরস্কের কনসাল জেনারেল সালাউদ্দীন কাশেম খান বলেন, বেগম জিয়া চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানীর ঘোষণা দেন। তারেক রহমানও সেটা বলেছেন। বিএনপির নেতৃত্বের প্রতি অনুরোধ থাকবে, আগামীতে বিএনপি ক্ষমতায় এলে যেন সেটা বাস্তবায়ন হয়।

সিডিএ চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার নুরুল করিম বলেন, উনি (খালেদা জিয়া) চট্টগ্রামকে বাণিজ্যিক রাজধানী ঘোষণা করেছিলেন। চট্টগ্রামবাসীর তাকে মনে রাখা উচিত।

চট্টগ্রাম মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ডা. ওমর ফারুক ইউসুফ বলেন, বেগম জিয়া দেশকে ভালোবাসতেন। তাই শেষ পর্যন্ত দেশেই ছিলেন। উনার এই দেশপ্রেমের শিক্ষাটা যেন আমরা সবাই অনুসরণ করি।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন বলেন, বেগম জিয়া স্বৈরাচারের চোখে চোখ রেখে সংগ্রাম করে গেছেন।

চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. ইমরান বিন ইউনূস বলেন, বেগম জিয়া অদম্য, অপরাজেয় ও আপসহীনের জায়গায় নিয়ে গেছেন নিজেকে।

ডা. শাহনাজ মাবুদ শিলভীর সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন চবি শিক্ষক সমিতির সাবেক সভাপতি অধ্যাপক ড. সিদ্দিক আহমেদ চৌধুরী, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নসরুল কদির, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটির ভিসি অধ্যাপক ড. নাজিম উদ্দীন, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের আহ্বায়ক জাহিদুল করিম কচি, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম– ৮ আসনে বিএনপির প্রার্থী এরশাদ উল্লাহ, মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, চট্টগ্রাম ক্লাবের সাবেক সভাপতি অধ্যাপক এস এম তারেক, সিএমইজের সভাপতি মো. শাহনওয়াজ, চট্টগ্রাম বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ড. জিনবোধি ভিক্ষু, চট্টগ্রাম নাগরিক ঐক্যের সভাপতি স্বপন মজুমদার, চমেক ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. জসিম উদ্দিন, জেলা ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দিন আহমেদ মানিক, বিএমএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশিদ জামিল চৌধুরী, মহানগর পিপি এড. মফিজুল হক ভূইয়া, মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. কামরুন্নাহার দন্তগীর, চেম্বারের সাবেক পরিচালক মাহফুজুল হক শাহ, থিয়েটার ইনস্টিটিউটের পরিচালক কবি অভীক ওসমান, সিজেকেএস সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. হাফিজ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহকারী মহাসচিব মাওলানা এম এ কাশেম ইসলামাবাদী, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আশরাফ হোসেন চৌধুরী রাজ্জাক, ডিসি সাউথ কবির আহমেদ, ইয়ুথ ভয়েস বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার তারেক আকবর খোন্দকার, এমইবি গ্রুপের পরিচালক শোয়েব রিয়াদ, উইমেন চেম্বারের পরিচালক বেবি হাসান, দক্ষিণ জেলা জন্মাষ্টমী পরিষদের সভাপতি দেবব্রত পাল দেবু, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার উছমান চৌধুরী, মহানগর এনসিপির সদস্য সাদিয়া আফরিন প্রমুখ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ