ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মাঠ প্রশাসনের সব ডিসি, এসপিসহ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাদের একযোগে বদলির দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। প্রয়োজনে লটারির মাধ্যমে এ বদলি করার পরামর্শও দিয়েছে দলটি।
সাম্প্রতিক প্রশাসন ও পুলিশে রদবদলকে ‘পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ আখ্যা দিয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, কোনো একটি মহল থেকে ডিজাইন করে এসব করা হচ্ছে বলে সন্দেহ হচ্ছে। তিনি বলেন, তফসিলের পর প্রশাসনের কর্তৃত্ব ইসির হাতে চলে গেলে পূর্বের নজির অনুসরণ করে এক রাতেই সবাইকে বদলি করা সম্ভব। এতে জাতির আস্থা ফিরবে এবং কোনো অভিযোগ থাকবে না।
লটারি পদ্ধতির পক্ষে মত দিয়ে তিনি বলেন, যার যেখানে তকদিরে আছে সেখানেই যাবে, এতে প্রশ্ন উঠবে না। ভোটকেন্দ্রে চার-পাঁচজন করে সেনা সদস্য মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি।
হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, সরকার বদলেছে কিন্তু আমলাতন্ত্রে মৌলিক পরিবর্তন আসেনি। এখনো দলকানা লোক রয়ে গেছে। রক্ষক যেন ভক্ষক না হয়। প্রশাসনে নিয়োগ-বদলিতে গোয়েন্দা রিপোর্টের অপব্যবহার হচ্ছে বলে অভিযোগ করে তিনিও লটারি পদ্ধতির ওপর জোর দেন।
সকালের পর্বে জামায়াতসহ সাতটি দল ইসির সঙ্গে সংলাপে অংশ নেয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনসহ অন্য কমিশনাররা উপস্থিত ছিলেন।




