বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনগুলিবিদ্ধ ‘ঢাকাইয়া’ আকবর মারা গেছেন

গুলিবিদ্ধ ‘ঢাকাইয়া’ আকবর মারা গেছেন

নগরের বিভিন্ন থানার হত্যা, অস্ত্র, চাঁদাবাজির দশ মামলার আসামি আলী আকবর প্রকাশ ঢাকাইয়া আকবর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। রোববার (২৫ মে) সকাল ৮টায় চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) তার মৃত্যু হয়। আলী আকবর (৩২) নগরের বায়েজিদ বোস্তামী এলাকার মঞ্জু মিয়ার ছেলে।

শুক্রবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত এলাকায় আলী আকবরকে দুর্বৃত্তরা গুলি করে।

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ বক্সের ইনচার্জ এসআই নুর উল্লাহ আশেক বলেন, আলী আকবর হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন ছিল। রোববার (আজ) সকাল আটটায় কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

হাসপাতালে আসা আলী আকবরের স্বজনরা জানিয়েছেন, কারাগারে বন্দী সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ হোসেনের অনুসারীরা গুলি করেছে। পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকায় ওইদিন রাত আটটার দিকে বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিল আকবর। হঠাৎ ১০ থেকে ১২ জনের একটি দল এসে এলোপাতাড়ি গুলি করে।

এর আগে, শুক্রবার (২৩ মে) রাত সাড়ে ৮টার দিকে নগরের পতেঙ্গা সমুদ্রসৈকত এলাকার পশ্চিম পয়েন্টের ২৮ নম্বর দোকানের সামনে আড্ডারত অবস্থায় সন্ত্রাসী ঢাকাইয়া আকবরকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।

একই ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হন দর্শনার্থী জান্নাতুল বাকী (৩০) এবং শিশু মহিম ইসলাম রাতুল (৮)। সে নগরের দক্ষিণ পতেঙ্গার ফুলছড়িপাড়ার শওকত হোসেনের ছেলে। আর জান্নাতুল বাকী ইনসেপ্টা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেডে কর্মরত বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাস্থলের অদূরে থাকা প্রত্যক্ষদর্শী এক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন, ঢাকাইয়া আকবর, একজন তরুণী এবং অন্য চারজন ছেলেসহ মোট ৬-৭ জন ২৮ নম্বর দোকানে বসেছিলেন। কিছু বুঝে ওঠার আগেই মোটরসাইকেলে করে চারজন যুবক ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। তাদের মধ্যে একজন আকবর নামে ওই যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে থাকে। এ সময় আকবর দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। তবু তিনি গুলিবিদ্ধ হন। এরপর মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।

ওই ব্যবসায়ী আরো বলেন, ‘আকবরের সাথে থাকা চারজন ছেলে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালায়। আর যে তরুণী ছিলেন তিনি গুলিবর্ষণকারীদের সাথে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ