যুক্তরাষ্ট্র এবং যুক্তরাজ্যে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়ে কাজ না হওয়ায় উভয় সংকটে পড়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিলেও কতদিন সেখানে থাকা যাবে তা নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।
এরইমধ্যে শোনা যাচ্ছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য চেষ্টা করেছেন হাসিনা। তবে বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ আল দুহাইলান বলেছেন, সৌদিতে হাসিনার আশ্রয় চাওয়া সম্পর্কে অবগত নন তিনি।
বুধবার (১৪ আগস্ট) অন্তবর্তীকালীন সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এ তথ্য জানান সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ।
শেখ হাসিনা সৌদিতে রাজনৈতিক আশ্রয় চেয়েছেন বলে খবর প্রকাশ হয়েছে। এ বিষয়ে রাষ্ট্রদূতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, এরকম কিছু আমি শুনিনি।
সৌদি রাষ্ট্রদূত বলেন, আজ আমরা বাংলাদেশি কর্মীদের পুনরায় ভিসা দেওয়া শুরু করেছি। সৌদি দূতাবাস এখন সব ধরনের সেবা দেওয়া শুরু করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকাকালে প্রতিদিন গড়ে পাঁচ হাজার ভিসা ইস্যু করা হতো।
বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদির মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে। আমরা অর্থনৈতিক ইস্যু, ভিসা ইস্যুসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করেছি। আমরা আশা করছি, দ্রুতই বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও শান্তি ফিরে আসবে। বাংলাদেশ স্থিতিশীলতা উপভোগ করবে।
কোটা আন্দোলন ঘিরে ছাত্র-জনতার ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়েছেন শেখ হাসিনা। তৃতীয় কোনো দেশে না যাওয়া পর্যন্ত তাকে সময় দেওয়া হয়েছে বলে সর্বদলীয় বৈঠকে জানিয়েছেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবর, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্রের আশ্রয়ের আবেদন করে কাজ হয়নি হাসিনার। তাই তৃতীয় কোনো দেশে পাড়ি জমাতে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন তিনি। এতে ভারত সরকারও সহায়তা করছে। হাসিনার পরবর্তী পরিকল্পনা কী, তা তিনি ভারত সরকারকে জানালে সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।




