বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর এবং বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) চেয়ারম্যান দ্রুতই নিয়োগ দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। রোববার (১১ আগস্ট) সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।
এর আগে গণ-আন্দোলনে ক্ষমতার পালাবদলের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অস্থিরতা দেখা দিলে গভর্নরের পদ ছাড়েন শেখ হাসিনার আমলে নিয়োগ পাওয়া আব্দুর রউফ তালুকদার। পদত্যাগ করেন বিএসইসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক শিবলী রুবাইয়াত-উল-ইসলামও।
গভর্নর ও এনবিআর চেয়ারম্যানের নিয়োগ প্রসঙ্গে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এখন গভর্নর নিয়োগের বিষয়ে চিন্তিত, এনবিআরের বিষয় ভিন্ন। চেয়ারম্যান তো প্রশাসন থেকেই আসেন। গভর্নর ও সিকিউরিটি অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান শিগগির নিয়োগ দেওয়া হবে।
গভর্নর নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন মানদণ্ড বিবেচনা করা হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, এসব খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, গভর্নর না থাকলেও ডেপুটি গভর্নরেরা কাজ চালিয়ে নিতে পারেন। পেমেন্ট সিস্টেমের জন্য তো গভর্নর প্রয়োজন হয় না।
ইসলামী ব্যাংক দখল নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, আমি বলছি কেউ আইনের বাইরে থাকবে না। যদি কেউ করে থাকে ইমিডিয়েটলি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব, যে-ই হোক। আমি তো এককালে ম্যাজিস্ট্রেট ছিলাম। ধরপাকড় তো কম করিনি আমরা। যে করেছে তাকে ধরব। তারপরও কে করেছে না করেছে নো বডি ইজ অ্যালাও।
কিন্তু ঘটনা তো ঘটেছে, সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, নিশ্চয়ই জানে কারা ঘটিয়েছে, দেখেছে। আমি বিষয়টা নিয়ে আলাপ করব, দরকার হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নিয়ে যাব।
এটিএম বুথে টাকা না থাকার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “টাকা নেই বিষয়টি কিন্তু তা না। এটা করা হয়েছে রিসেন্টলি সিচুয়েশনটা খুবই ‘ইয়ে’ ছিল, টাকা নিয়ে চলে যাবে। এটিএম বুথে তো ঝামেলা নেই।
কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কী বার্তা দিলেন, সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, কর্মকর্তাদের বলেছি আপনারা নিষ্ঠার সাথে মানুষের জন্য ইতিবাচক কাজ করবেন। কোনো কিছু ফেলে রাখবেন না, বাস্তবায়ন করবেন। আর সচ্ছতা-জবাবদিহিতা রাখতে হবে।




