বিক্ষোভের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পালিয়েছেন ডেপুটি গভর্নর ও উপদেষ্টারা। ব্যাংক খাতে লুটপাট, দখল, অনৈতিক সুবিধা প্রদান ও নানা অনিয়মের সহযোগিতা করার দায়ে বিক্ষোভের মুখে তারা বাংলাদেশ ব্যাংক ছাড়েন। বুধবার (৭ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এমন ঘটনা ঘটে।
আন্দোলনরত কর্মকর্তারা জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তারা প্রথমে আন্দোলন শুরু করেন। এরপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর বিল্ডিংয়ের চতুর্থ তলায় কর্মকর্তারা ‘ভুয়া ভুয়া’ বলে স্লোগান দিয়ে অবস্থান নেন।
কর্মকর্তাদের চাপের মুখে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কাজী ছাইদুর রহমান পদত্যাগ করেছেন। পদত্যাগ করেছেন পলিসি ও নীতি কমিটির উপদেষ্টা আবু ফরাহ মোহাম্মদ নাসের। বাকি ডেপুটি গভর্নররা পদত্যাগের আশ্বাস দিয়েছে। এ ছাড়া বিএফআইইউ প্রধান মো. মাসুদ বিশ্বাসও অফিস ত্যাগ করেছেন।
কাজী ছাইদুর রহমান ছাড়া অন্য তিন ডেপুটি গভর্নর হলেন- নূরুন নাহার, খুরশীদ আলম ও ড. মো. হাবিবুর রহমান। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের হাজার-হাজার কোটি টাকার বেনামি ঋণসহ বিভিন্ন অনিয়মে সহায়তার দায়ে অভিযুক্তদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ করছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা।
কর্মকর্তাদের দাবি অবিলম্বে গভর্নর আব্দুর রউফসহ সব ডেপুটি গভর্নরের পদত্যাগ ও বিচার করতে হবে। তারা যেন দেশ ছাড়তে পালাতে না পারে সে ব্যবস্থা নিতে হবে। এছাড়া যেসব নির্বাহী পরিচালক অনিয়মে সহায়তা করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
এদিকে গতকালের মতো আজও গভর্নর অফিসে আসেননি। যদিও গতকাল রাতে তার দেশ ছেড়ে পালানোর গুঞ্জন শোনা গেলেও এ বিষয়ে নিশ্চিতভাবে কিছু জানা যায়নি। তবে গত সোমবার শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে পালানোর পর থেকেই তিনি গভর্নর ভবন থেকে সটকে পড়েন।




