সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়ককটেল বিস্ফোরণ অগ্নিসংযোগ ভাঙচুরে ১৮ দলের অবরোধ শুরু

ককটেল বিস্ফোরণ অগ্নিসংযোগ ভাঙচুরে ১৮ দলের অবরোধ শুরু

ষ্টাফ  রিপোর্টার  (বিডিসময়২৪ডটকম)

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ মিছিল, ককটেল বিস্ফোরণ, গাড়ি ভাঙচুর, সড়ক অবরোধ, আওয়ামী লীগের অফিস ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলা এবং আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বিরোধী দলের সমর্থকদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। কুমিল্লায় পুলিশের গুলিতে ছাত্রদলের এক কর্মী নিহত হয়েছে। এছাড়া, সংঘর্ষে সারাদেশে দুই শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে অন্ততপক্ষে তিন শতাধিক গাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। চট্টগ্রামের সাতকানিয়া, কুমিল্লা, নাটোর, ময়মনসিংহ, বগুড়াসহ বিভিন্ন জায়গায় মহাসড়ক অবরোধ করে রাখায় ওইসব এলাকায় যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

রাজধানীর চিত্র
তফসিল ঘোষণার পর পরই রাজধানীজুড়ে ব্যাপক সংখ্যক ককটেল বিস্ফোরণ ও গাড়ি ভাঙচুর করেছে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ১৮দলীয় জোটের কর্মী সমর্থকরা।  তারা রাজধানীর বিভিন্নস্থানে  গাড়িতে আগুন, ভাংচুর ও  ককটেল ফাটিয়ে  জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

বাড্ডার লিংক রোডে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে ১০/১২ টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় । ওই এলাকার বিভিন্নস্থানে সাতটি গাড়িতে আগুন দেয়া হয়েছে।  ফার্মগেট এলাকায়  রাত সোয়া ৯টার দিকে ফার্মগেট পুলিশ বক্সের সামনের রাস্তায় পুলিশের একটি বাসে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এতে পুরো গাড়িটি পুড়ে গেছে। রাত সোয়া ৯টার দিকে গ্রীনরোড এলাকায় ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে অবরোধ সমর্থকরা।  নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে  পুলিশের একটি গাড়ি লক্ষ্য করে ককটেল হামলা চালানো হয়।

সবুজবাগ থানার বাসাবো এলাকায় নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করার পর ছাত্রলীগের আনন্দ মিছিল বের করলে মিছিলে হামলা করে শিবির। এ সময় তারা ৪টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। সবুজবাগ থানার ওসি বাবুল মিয়া জানান, আনন্দ মিছিল করার সময় ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রশিবির নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর মিছিল থেকে দশটি গাড়ি ভাংচুর এবং দুটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়েছে।

রাজধানীর বাইরে সড়ক অবরোধ, ভাংচুর ও ব্যাপক সহিংসতার খবর পাওয়া গেছে।
কুমিল্লা : কুমিল্লায় বিএনপি ও তার অঙ্গ সংগঠনের কর্মীরা অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময়  পুলিশের গুলিতে দেলোয়ার হোসেন নামে এক ছাত্রদলকর্মী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে ৩ পুলিশসহ বিএনপি-জামায়াতের ১৭ কর্মী। সোমবার রাত ১০টার দিকে কান্দিরপাড়ায় এই ঘটনা ঘটে।

সিলেট : সোমবার রাত সাড়ে ৭টায় সিইসি’র ভাষণ শুরু হওয়ার পরপরই তা প্রত্যাখ্যান করে রাজপথে নেমে আসেন বিরোধীজোটের প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপি, জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা।

রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে নগরীর জিন্দাবাজার, চৌহাট্টা, আম্বরখানা, লামাবাজার, নাইওরপুল, আম্বরখানা, শাহী ঈদগাহ, বন্দরবাজারসহ অন্তত ৪০টি পয়েন্টে ব্যাপক গাড়ি ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে নেতাকর্মীরা। ফলে চারিদিকে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। নগরীর সবক’টি শপিংমল, বিপনী বিতান বন্ধ হয়ে যায়।

পরে রাত সোয়া ৮টায় নগরীর কোর্ট পয়েন্ট থেকে মিছিল বের করে ১৮ দলীয় জোট। মিছিলটি জিন্দাবাজারে এলে শুরু হয় ককটেলের বিস্ফোরণ। নেতাকর্মীরা দোকানপাট ও যানবাহন ভাঙচুর করতে করতে মিরবঙটুলা পর্যন্ত যান। এ সময় অন্তত ৮০টি দোকানপাটে হামলা চালানো হয়।

রাত ৮টার দিকে সিলেট নগরীর ধোপাদিঘীর উত্তরপাড়স্থ জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে আগুন দেয় বিরোধী দলীয় নেতাকর্মীরা। পরে স্থানীয় লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলেন।

রাজশাহী :  দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ঘোষণা দেয়ার পর পরই রাজশাহীর বিভিন্নস্থানে হামলা, ভাঙচুর ও বোমা হামলার ঘটনা ঘটেছে।  রাত ৮টার দিকে বিএনপি নেতাকর্মীরা সংঘবদ্ধ হয়ে নগরীর মালোপাড়া পুলিশ ফাঁড়িতে হামলা চালিয়েছে।

চট্টগ্রাম : দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম-কঙবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া উপজেলার কেরাণীহাট এলাকায় গাড়ি ভাঙচুর ও অবরোধ করেছে ছাত্রশিবিরের নেতা-কর্মীরা। এতে মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।

চট্টগ্রামের এ কে খান মোড় এলাকা অবরোধ করেছে বিরোধী জোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় চট্টগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা পাঁচটি এবং চট্টগ্রামমুখী আটটি ট্রেন বিভিন্ন স্থানে আটকা পড়েছে।

খুলনা : নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে খুলনার দৌলতপুর ও ফুলবাড়িগেটসহ বিভিন্ন স্থানে ৩০টির অধিক গাড়ি ভাঙচুর ও ২০টির মতো ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। ১৮ দলের ঝটিকা মিছিল থেকে এসব ঘটনা ঘটানো হয়েছে।

ময়মনসিংহ : সর্বদলীয় সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রী ও জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ.এম.এরশাদের পত্নী বেগম রওশন এরশাদের বাসা ও জেলা জাতীয় পার্টির অফিসের সামনের রাস্তায় দু’টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার রাত সাড়ে ৯ টার দিকে শহরের ফায়ার সার্ভিস রোডস্থ বেগম রওশন এরশাদের সুন্দর মহলের সামনের রাস্তায় এ ঘটনা ঘটে।

হবিগঞ্জ: হবিগঞ্জ শহরে বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষে ১০ পুলিশসহ অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছে। সোমবার রাত আটটা থেকে সোয়া নয়টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
সংঘর্ষের সময় পুলিশভ্যান, অ্যাম্বুলেন্স, ম্যাক্সি, ব্যাটারি চালিত অটোরিকশা (টমটম), জেলা শিক্ষা অফিস, পূবালী ব্যাংক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসহ বিভিন্ন দোকানপাট ভাঙচুর করা হয়। এ সময় পুলিশ বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের লক্ষ্য করে শতাধিক রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে। পুলিশ যুবদল ও ছাত্রদলের ৫ কর্মীকে আটক করেছে।

বগুড়া : তফসিল ঘোষণার পর বগুড়ায় বিএনপির নেতাকর্মীরা শহরের সাতমাথা দখল করতে চাইলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় পুলিশ টিয়ারসেল, রাবাট বুলেট এবং বিএনপি নেতাকর্মীরা শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। এ ঘটনায় পুলিশের ২ জন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ বিএনপির ৩০ নেতাকর্মী আহত হয়েছে। রাত ১০টার দিকে বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজের অধ্যক্ষ দীপকেন্দ্র নাথ দাসের বাসায় আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। তারা অধ্যক্ষের বাসায় দুই দফা ককটেল ছুড়েছে বলেও জানা গেছে। এ সময় কলেজের কয়েকটি গাড়িও ভাঙচুর করেছে দুর্বৃত্তরা

সাতক্ষীরা : দশম জাতীয় সংসদের তফসিল ঘোষণার প্রতিবাদে সাতক্ষীরায় সড়কে আগুন ধরিয়ে ও টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলাকালে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় জামায়াত-শিবিরের। সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে ২০ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছে। রাত ৮টায় শহরে চৌরঙ্গী মোড়ে প্রধান সড়ক অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এ সময় তারা ১০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায়। সড়কে আগুন ধরিয়ে ও টায়ার জ্বালিয়ে তারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এতে সাতক্ষীরা খুলনা মহাসড়কে সব ধরনের যানচলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

বরগুনা : নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরপরই সোমবার রাত ৮টায় বরগুনা শহরের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল বের করে বিএনপি। এতে পুলিশ বাধা দিলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। সংঘর্ষে ৫ পুলিশ ও যুবদল – ছাত্রদলের ১০ জনসহ ১৫ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে যুবদল সভাপতি তালিমুল ইসলাম পলাশসহ ৫ জনকে আটক করেছে।

লক্ষ্মীপুর : রাত ৮টার দিকে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শাহাব উদ্দিন সাবু ও জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী নিয়ে লক্ষ্মীপুর শহরের উত্তর তেমুহনী এলাকায় বিক্ষোভ ও টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করে রাখে। এ সময় উত্তেজিত নেতাকর্মী উত্তর তেমুহনী এলাকায় ৫-৬টি দোকান ভাঙচুর করে। এছাড়া মান্দারী বাজারে ৫টি বাস, ট্রাক ভাঙচুর করে বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরকর্মীরা।

নাটোর : প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণার পরপরই নাটোরে ১৮ দলের নেতা-কর্মীরা বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এ সময় মিছিল থেকে তারা ১৫/২০টি ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটায় এবং একটি সিএনজিতে অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়া নাটোর-ঢাকা মহাসড়কের হরিশপুর বাইপাস, মাদ্রাসা মোড়, কানাইখালীসহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপি, জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরা মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া : তফসিল ঘোষণার পরপরই ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের রেলগেইটে তিনটি যানবাহনে আগুন দেয় ১৮ দলের নেতা-কর্মীরা। প্রধান নির্বাচন কমিশনারের ভাষণ শেষ হওয়ার পরপরই ১৮ দলের নেতাকর্মীরা শহরের বিভিন্ন স্থানে চোরাগুপ্তা ককটেল বিস্ফোরণ করতে থাকে। শহরের কালিবাড়ি মোড়ে, রেলগেইট, টিএ রোড কুমারশীলের মোড়, ফুলবাড়িয়া, পীরবাড়ির মোড়ে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ করা হয়। এ সময় তিনটি যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় বেশ কয়েক রাউন্ড টিয়ারসেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপ করে পুলিশ।

সিরাজগঞ্জ : সিরাজগঞ্জে গাড়ি ভাঙচুর, ককটেল বিস্ফোরণ ও পুলিশের সঙ্গে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, টিয়ারসেল, রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার সন্ধ্যায় ১০ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর রাত পৌনে ৮টা থেকে সোয়া ৯টা পর্যন্ত এ ঘটনাগুলো ঘটে। সিরাজগঞ্জ-কাজিপুর আঞ্চলিক সড়কের সদর উপজেলার খোকশাবাড়িতে দুইটি মোটরসাইকেল ও একটি সিএনজি অটোরিক্সা ভাঙচুর করে দুর্বৃত্তরা। এর কিছুক্ষণপর রাত সাড়ে আটটার দিকে সিরাজগঞ্জ-নলকা আঞ্চলিক সড়কের সদর উপজেলার চকশিয়ালকোল এলজিইডি মোড় ও দিয়াবৈদ্যনাথের এ্যালবাট্রস এন্যার্জি এন্ড কনভার্সন স্টেশনের সামনে বেপরোয়া গাড়ি ভাঙচুর শুরু করে বিএনপি কর্মীরা।

নোয়াখালী : নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদী, বাণিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী ও সেনবাগের সেবার হাটসহ বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে, সড়ক অবরোধ করে কমপক্ষে ১৫টি গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে জেলা শহর মাইজদীর পৌরবাজার এলাকায় রাবার বুলেট ছুড়লে আবুল কালাম (৪০) নামের এক রিক্সাচালকসহ ৩ জন গুলিবিদ্ধ হন।

ফেনী : ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর ফতেহপুর নামক স্থানে অবরোধের সমর্থনে বিক্ষোভ মিছিল বের করে আঠারো দলীয় জোটের নেতাকর্মীরা। এ সময় দুর্বৃত্তরা ৭টি গাড়ি ভাঙচুর করে। যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

পাবনা: পাবনায় ১৮ দলীয় জোটের নির্বাচনী তফসিল প্রত্যাখান করে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত সাড়ে আটটার দিকে এ ঘটনা ঘটে

পিরোজপুর: পিরোজপুরে পুলিশ ও ১৮ দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় পুলিশের লাঠিচার্জে সাংবাদিকসহ বিএনপি-জামায়াতের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জেলা বিএনপি কার্যালয় থেকে রাত আটটার দিকে বিক্ষোভ মিছিল বের করে ১৮ দলের নেতাকর্মীরা। মিছিলটি শহরের মসজিদ মোড়ে পৌঁছার পর পুলিশ বাধা দিলে বিএনপি ও জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা কয়েকটি ককটেল ফাটায় এবং পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট ছুড়তে থাকে। এ সময় পুলিশ মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে শর্টগানের গুলি ছুড়ে।

এছাড়া, গাজীপুর, রংপুর, নাটোর, কক্সবাজার, পাবনা, ঠাকুরগাঁও ফেনীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষ ও ভাংচুরের খবর পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ