রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনবিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সন্ধানী চমেক ইউনিটের বিশ্ব...

বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে সন্ধানী চমেক ইউনিটের বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস উদযাপন

“ডাউন সিনড্রোমের শিশুরা বোঝা নয়, তারাও এই পৃথিবীর সন্তান” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২০০৫ সালে AFRT ( The French Association for Research on Trisomy 21) ২১ মার্চ কে ডাউন সিনড্রোম দিবস হিসেবে ঘোষণা করেন । ডাউন সিন্ড্রোমে আক্রান্ত ব্যক্তিদের জন্য ভালোবাসাময় পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রতি বছর এই দিনটিকে বিশেষ মর্যাদায় উদযাপন করে আসছে । “যথাযথ শিক্ষা, প্রশিক্ষণ,উৎসাহ এবং ভালবাসার মাধ্যমে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরাও স্বনির্ভর হতে পারে ” এই মনোভাব সকলের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ায় হলো এই দিবসটির উদ্দেশ্য ।

এই দিবসটিকে আরো তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে উদযাপন করতে আজ সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে আয়োজন করা হয় চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার যাতে অংশগ্রহণ করেন “নিষ্পাপ অটিজম” স্কুলের শিক্ষার্থীরা। সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন উপদেষ্টা ডা.আনিকা ইবনাত, উপদেষ্টা ডা.তানজিমুল হাই রাফি, উপদেষ্টা ফাহিম শাহরিয়ার, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রোমানুল ইসলাম, সভাপতি আমজাদ হোসেন, সাধারণ সম্পাদক তাহিয়্যা করিম সহ একঝাঁক সন্ধানীয়ান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ডাউন সিনড্রোম একটি জিনঘটিত রোগ যাতে বর্তমানে বিশ্বের অনেক শিশু আক্রান্ত। আজকের শিশু আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। এই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের একটি অংশ হল এই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু। এই শিশুদেরকে বোঝা মনে না করে তাদের মাঝে সুপ্ত প্রতিভা বিকশিত করতে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবসে সন্ধানীর এমন সুন্দর পদক্ষেপের জন্যে ধন্যবাদ জানান।
এই প্রতিযোগিতায় শিশুদের দুইটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয় এবং প্রতিযোগিতা শেষে বিজয়ীসহ অংশগ্রহণকারী সকলের মাঝে পুরস্কার তুলে দেন সন্ধানী চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ইউনিটের উপদেষ্টা ডা. আনিকা ইবনাত,উপদেষ্টা ফাহিম শাহরিয়ার, কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি রোমানুল ইসলাম। পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন , এই প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া প্রত্যেক শিশুরাই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ । সমাজের একটু সহযোগিতায় ও সুযোগ সুবিধা পেলে তারাও দেশের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়তে পারে তারই প্রমাণ তাদের আঁকা প্রতিটা ছবি।
তুচ্ছ তাচ্ছিল্য নয় বরং সামাজিক ঐক্যবদ্ধ সহযোগিতাই পারে এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুদেরকে জাতীয় সম্পদে পরিণত করতে ।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ