বুধবার, অক্টোবর ২৮, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনঅবশেষে ডায়ালিসিস মেশিন বসলো চট্টগ্রাম মেডিকেলে

অবশেষে ডায়ালিসিস মেশিন বসলো চট্টগ্রাম মেডিকেলে

করোনা ইউনিট চালুর পর চিকিৎসার জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ৫টি হেমো ডায়ালিসিস মেশিন পেয়েছিল চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। করোনা আক্রান্ত কিডনি রোগীরা তাৎক্ষণিক বা ধীরগতিতে যখন দুটি কিডনিই সম্পূর্ণরূপে কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলে তখন কৃত্রিম পদ্ধতিতে কিডনির কাজ করানোই হচ্ছে মূলত ডায়ালিসিস। মন্ত্রণালয় যথাসময়ে মেশিন পাঠালেও ভুলে দেননি মেশিনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ওআর প্লান্ট (Reverse Osmosis plant- পানি শুদ্ধিকরণ যন্ত্র)। ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ছাড়া ডায়ালিসিস মেশিন বসানো যাচ্ছিল না। অনেকটা অকেজো অবস্থায় পড়ে ছিল। এ নিয়ে মন্ত্রণালয়েও চিঠি দিয়েছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি সাময়িকভাবে করোনা রোগীর চিকিৎসার জন্য চমেক কর্তৃপক্ষ ডায়ালিসিস মেশিন সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ‘এনআইকেডিইউ- সান্ডুর’-কেও চিঠি দেয়। কিন্তু কোথাও থেকে কোনোরকম সাড়া মিলেনি। ডায়ালিসিস মেশিনের অভাবে ঈদের পরদিন গত ২৬ মে মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত এক রোগী।

এমনকি চট্টগ্রামের বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালক ডা. হাসান শাহরিয়ার কবীর তাঁর মায়ের ডায়ালিসিস করাতে চেয়েও না পেয়ে ঢাকার হাসপাতালে নিয়ে যান। মন্ত্রণালয় এবং সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেয়ার ২১ দিন অপেক্ষার পরও সমাধান না পেয়ে অবশেষে নিজেদের উদ্যোগেই ডায়ালিসিস মেশিন চালু করলো চমেক হাসপাতাল। জায়গা সংকুলান না হওয়ায় প্রাথমিকভাবে দুটি ডায়ালিসিস মেশিন ৭ জুন থেকে চালু করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

এ বিষয়ে চমেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম হুমায়ুন কবির বলেন, মন্ত্রণালয় থেকে পার্টসটা আসতে দেরি হবে। তাই আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, নিজেই কিনে নিবো। মেশিন আমার কাছে আছে। Reverse Osmosis plant  পানি শুদ্ধিকরণ যন্ত্র আসতে সময় লাগবে তাই দুটো মেশিনও চালু করতে পারি তাহলেও রোগীদের জন্য অনেক সুবিধা হবে। লোকালি আমি কিনেই নিয়েছি। মেশিন স্থাপনের কাজ চলছে। আশা করছি আজকের (গতকাল) মধ্যে কাজ শেষ করে আগামীকাল (আজ) থেকে করোনা আক্রান্ত কিডনি জটিলতায় ভোগা রোগীদের ডায়ালিসিস সেবা দিতে পারবো।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ