নগরীর দামপাড়া জমিয়তুল ফালাহ মসজিদে আইয়ুব বাচ্চুর শেষ জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। ২০ অক্টোবর বাদ আছর এ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার হাজার হাজার মানুষ অংশ নেন। এরআগে আগেই ভক্তরা জমিয়তুল ফালাহ প্রাঙ্গণে এসে উপস্থিত হন। দূর–দূরান্ত থেকে তারা এসেছেন প্রিয় শিল্পীকে শেষ বিদায় জানাতে।
২০ অক্টোবর বিকেল ৪টা ৩৮ মিনিটে নগরের দামপাড়া জমিয়াতুল ফালাহ মসজিদে তার চতুর্থ ও শেষ নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশ নেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। জানাজা শেষে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় এনায়েতবাজার চৈতন্যগলির বাইশ মহল্লা কবরস্থানে। সেখানে মায়ের পাশেই তাকে দাফন করা হয়।
বিকেল ৩টার দিকে সিটি কর্পোরেশনের মরদেহ বহনকারী গাড়িতে কিংবদন্তী গায়ক আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ আনা হয়। এর মরদেহ রাখা হয়েছে মসজিদের সামনে। এসময় সাদা কফিনে মোড়ানো তার মরদেহ দেখতে হাজারো ভক্তের ঢল নামে। প্রিয় শিল্পীকে দেখে অনেকে আবেগ আপ্লুত হয়ে পড়েন। তাই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি অনেকে।
ব্যাণ্ডের লিজেন্ড আইয়ুব বাচ্চু শেষ নামাজে জানাজায় ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ জাতীয় মসজিদের খতিব ক্বারী সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। জানাজায় অন্যান্যদের মধ্যে অংশ নেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দিন, পুলিশ কমিশনার মো. মাহাবুবর রহমান চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী, মহানগর বিএনপির সভাপতি ডাক্তার শাহাদত হোসেন, দক্ষিণ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুফিজুর রহমান, মহানগর যুবলীগের সভাপতি মহিউদ্দীন বাচ্চু সহ প্রমুখ।
১৮ অক্টোবর মাত্র ৫৬ বছর বয়সে আইয়ুব বাচ্চু শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এরপর শুক্রবার জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রথম নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয় চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। এর আগে গতকাল শুক্রবার শহীদ মিনারে দল-মত ভুলে সকল শ্রেণীর মানুষ আইয়ুব বাচ্চুকে শ্রদ্ধা জানান।




