সোমবার, অক্টোবর ২৬, ২০২৬
প্রচ্ছদচট্রগ্রাম প্রতিদিনলস্কর পদে কার সুপারিশে কতজন নিয়োগ হয়েছে তা প্রকাশের দাবি স্থানীয় অধিবাসীদের

লস্কর পদে কার সুপারিশে কতজন নিয়োগ হয়েছে তা প্রকাশের দাবি স্থানীয় অধিবাসীদের

লস্কর পদে কার সুপারিশে (মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও অন্যান্য) কতজনের নিয়োগ হয়েছে তা প্রকাশের দাবি জানিয়েছে চট্টগ্রাম বন্দরের ভূমি অধিগ্রহণে ক্ষতিগ্রস্ত ও স্থানীয় অধিবাসীদের অধিকার আদায় পরিষদ নামে একটি সংগঠন। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সভাপতি নূর মোহাম্মদ খান এ দাবি জানান। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বন্দরের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের ২০ জন প্রার্থী লস্কর পদে আবেদন করেছিল। কিন্তু কারও চাকরি হয়নি। এরমধ্যে মুক্তিযোদ্ধা ও প্রতিবন্ধী কোটার প্রার্থীও ছিল।

বন্দরের কারণে ক্ষতিগ্রস্তদের চাকরি না দিলে পাড়া-মহল্লায় সমাবেশ, থানা-ওয়ার্ডে জনসভা, বন্দর ভবন ঘেরাও কর্মসূচি ও হরতালের মতো কর্মসূচি দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। বন্দরে নিয়োগ কমিটিতে থাকা কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসেবে খুঁজে বের করার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বন্দর সম্প্রসারণের কারণে স্থানীয় বাসিন্দারা নিঃস্ব হয়েছে। অন্যদিকে এসব এলাকায় ফ্ল্যাট বাড়ি ও একাধিক ফ্ল্যাটের ক্রেতা বন্দরের এক শ্রেণির কর্মকর্তা। এত টাকা তারা কোথায় পেল তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। লস্কর পদে চট্টগ্রাম থেকে ৪৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে বলে নৌপরিবহন মন্ত্রী যে তথ্য দিচ্ছে তা সঠিক নয় দাবি করে তিনি বলেন, মিথ্যা তথ্য দিয়ে মন্ত্রী ধোকা দিতে চাইছে। কিভাবে, কোন কোটায় কতজন নিয়োগ দিয়েছে তা স্পষ্ট করা হোক।

স্থানীয় সংসদ সদস্য এলাকার সম্মান বজায় রাখতে পারেনি অভিযোগ করে তিনি বলেন, নিয়োগে তাঁর জোরালো ভূমিকা থাকলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা চাকরি পেত। তিনি হয়তো আত্মীয়-স্বজনকে চাকরি দিয়েছেন। সামগ্রিকভাবে সংসদ সদস্য দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হয়েছেন।

বন্দরকে একটি মাফিয়া চক্র হাত করে নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি ১৬ কোটি মানুষের বন্দর। এককভাবে কাউকে ‍সুবিধা দেওয়া অন্যায়। বন্দরের শীর্ষ কর্মকর্তারা দুর্নীতিতে জড়িত রয়েছে অভিযোগ করে নূর মোহাম্মদ বলেন, নিয়ম অনুযায়ী একজন বোর্ড মেম্বার তিন বছর বন্দরে থাকার কথা। কিন্তু অনেকেই তিন বছরের বেশি সময় ধরে আছেন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মো.সিদ্দিকুল ইসলাম, দিদারুল হক, জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ