দশম জাতীয় সংসদের সপ্তদশ অধিবেশন আগামীকাল রোববার বিকেল ৫টায় শুরু হবে। রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে গত ২২ আগস্ট এ অধিবেশনের আহ্বান করেন। এটি হবে সংসদের শরৎকালীন অধিবেশন। সংসদ সচিবালয় থেকে জানা গেছে, এ অধিবেশনের মেয়াদ এক সপ্তাহ থেকে ১০ দিন হতে পারে। তবে সংক্ষিপ্ত হলেও এ অধিবেশনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত হতে পারে।
এরই মধ্যে সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে সপ্তদশ অধিবেশনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অবশ্য আগামীকাল বিকেল ৪টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় সংসদ কার্য উপদেষ্টা কমিটির সভায় সপ্তদশ অধিবেশনের মেয়াদ ও কার্যক্রম সম্পর্কে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এদিকে দশম জাতীয় সংসদের ১৬তম (বাজেট) অধিবেশন গত ১৩ জুলাই শেষ হয়। ৩০ মে শুরু হওয়া ওই অধিবেশনে গত ১ জুন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত চার লাখ ২৬৬ কোটি টাকার বাজেট পেশ করেন। গত ২৯ জুন এ বাজেট পাস করা হয়। মোট ২৪ কার্যদিবসের ওই অধিবেশনে ১৫টি সরকারি বিলের মধ্যে সাতটি পাস হয়। আইন প্রণয়ন সম্পর্কিত কাজ সম্পাদনের পাশাপাশি কার্যপ্রণালী বিধির ৭১ বিধিতে ১৯০টি নোটিশ পাওয়া যায়। নোটিশগুলো থেকে ১২টি গৃহীত নোটিশের মধ্যে সাতটি আলোচিত হয়। এ ছাড়া ৭১(ক) বিধিতে দুই মিনিটের আলোচিত নোটিশের সংখ্যা ছিল ৫৭টি।
এ ছাড়া ১৬তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর উত্তরদানের জন্য সর্বমোট ১৬৯টি প্রশ্ন পাওয়া যায়। তার মধ্যে তিনি ৭০টি প্রশ্নের উত্তর দেন। মন্ত্রীদের জন্য আনা দুই হাজার ৮০৯টি প্রশ্নের মধ্যে এক হাজার ৯৩৮টি প্রশ্নের জবাব দেন।




