আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম কলেজে আবারও ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটেছে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। রোববার দুপুরে কলেজ ক্যাম্পাসে এ সংঘর্ষ হয়। গুলিবিদ্ধ তিন কর্মীর নাম জীবন, বাপ্পী ও ইমাম। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া দুটি পক্ষের নেতৃত্বে আছেন নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রণি এবং যুবলীগ নেতা নুর মোস্তাফা টিনু। এ দুটি পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে উত্তেজনা চলছিল।
চমেক হাসপাতালের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) পংকজ বড়ুয়া বলেন, ‘আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে রণি ও টিনু গ্রুপের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। এতে জীবন, বাপ্পী ও ইমাম নামের তিন কর্মী আহত হয়েছেন। জীবন ও বাপ্পীর পায়ে এবং ইমামের পিঠে গুলি লাগে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, টিনু পক্ষের অনুসারী বলে পরিচিত বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করতে দীর্ঘদিন ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছেন। অন্যদিকে রণি পক্ষের নেতাকর্মীরা তাদের প্রতিরোধ করে আসছেন। এই পক্ষের নেতাকর্মীরা কলেজের নিয়মিত শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে। রোববারও টিনু পক্ষের নেতাকর্মীরা কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে জড়ো হন। এসময় রনির পক্ষের নেতাকর্মীরা ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান নেন। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়া ও গুলি বিনিময়ের ঘটনা ঘটে। রনি পক্ষের অনুসারী ও চট্টগ্রাম কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল করিম বলেন, ‘কয়েকদিনের ধারাবাহিকতায় বহিরাগতরা আজও আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমরা কলেজ ক্যাম্পাসে ভেতরে অবস্থান নিয়েছি। কিন্তু তারা যেখানেই পাচ্ছে সেখানেই আমাদের কর্মীদের ধরে ধরে মারধর করছে।




