মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৭, ২০২৬
প্রচ্ছদজাতীয়৬৬টি পরিত্যক্ত বাড়ি অবৈধ দখলে

৬৬টি পরিত্যক্ত বাড়ি অবৈধ দখলে

ঢাকা শহরে মোট ৬ হাজার ৪০৬টি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। এসব বাড়ির মধ্যে ৬৬টি অবৈধ বসবাসকারীদের দখলে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। ২৭ জুন সকালে জাতীয় সংসদের ১১তম  অধিবেশনে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সেলিনা বেগমের টেবিলে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী সংসদে এ তথ্য জানান। এর আগে বেলা সোয়া ১১টায় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে দিনের কার্যসূচি শুরু হয়। মন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরে মোট পরিত্যক্ত বাড়ির সংখ্যা ৬৪০৬টি। রাষ্ট্রপতির আদেশ ১৬/৭২, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ৪ সেপ্টেম্বর ৮৩ তারিখের সিদ্ধান্ত ও গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন সময়ে জারিকৃত অফিস আদেশ/অফিস স্মারক/পরিপত্র/সার্কুলার অনুযায়ী, পরিত্যক্ত বাড়ি-ঘর বরাদ্দ ও বিক্রয় কার্যক্রম সম্পন্ন হয়ে থাকে।

নুরুল ইসলাম মিলনের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, ঢাকা শহরে মোট ৬৪০৬টি পরিত্যক্ত বাড়ির মধ্যে গেজেটে প্রকাশিত ‘ক’ তালিকাভুক্ত বাড়ির সংখ্যা ৫০২৮টি। রয়েছে ‘খ’ তালিকাভুক্ত বাড়িও। এর মধ্যে বিক্রয় তালিকাভুক্ত বাড়ির সংখ্যা ৪৭৮২টি এবং সংরক্ষিত তালিকাভুক্ত বাড়ির সংখ্যা ২১৫টি। দলিল সম্পাদিত বাড়ির সংখ্যা ২৬৮৯টি। অবমুক্ত করা হয়েছে এমন বাড়ির সংখ্যা ১০১১টি। ৬৬টি বাড়ি অবৈধ বসবাসকারীদের দখলে রয়েছে। বাকি ১৪৮টি বাড়ি ডিএন গ্রহীতা ও বরাদ্দ প্রাপকদের কাছ থেকে ভাড়া আদায়ের মাধ্যমে বিক্রি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এছাড়া মন্ত্রীর দেওয়া তথ্যানুযায়ী, সারাদেশে পরিত্যক্ত বাড়ির সংখ্যা হলো- নারায়ণগঞ্জে ৬২টি, গাজীপুরে ৩টি, নরসিংদীতে ২টি, রাজবাড়ী ৩৬টি, রাজশাহী ২২৮টি, নাটোরে ০৭টি, চাপাইনবাবগঞ্জে ১৬টি, নওগাঁ ৩০টি, পাবনায় ১২৩টি, সিরাজগঞ্জে ১৩টি, বগুড়া ২৮০টি, জয়পুরহাটে ১টি, খুলনায় ১৪২১টি, বাগেরহাটে ১টি, যশোরে ৯২টি, কুষ্টিয়ায় ৫০৭টি, চুয়াডাঙ্গায় ২৭টি, চট্টগ্রামে ৩৫৩টি, কুমিল্লায় ৩টি, কক্সবাজারে ১টি, সিলেটে ৪টি, রংপুর ৪২টি, দিনাজপুরে ৩৭৮টি নীলফামারীতে ২২৩টি, কুড়িগ্রামে ১৭টি, ঠাকুরগাঁও ০৯টি, লালমনিরহাটে ১০৮টি, গাইবান্ধায় ২১টি।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ